ব্রাজিল দলের সবচেয়ে বড় শক্তির জায়গা কি? অনেকেই এই জায়গায় নিসন্দেহে তাদের উইঙকেই এগিয়ে রাখবেন।
বিশ্বের অন্যতম সেরা উইঙ্গার ভিনিসিয়াস খেলেন ব্রাজিল দলে। ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় সুপারস্টার নেইমার জুনিয়ারও উইঙ্গার।
রদ্রিগো ও স্যাভিওকে ঘিরে ট্রান্সফার মার্কেটে চলে উত্তাপ, হাজার কোটি টাকায় তাদের দেওয়া প্রস্তাব। তবে ব্রাজিলের আগামী ম্যাচে থাকছেন না এদের ভিতর কোন উইঙ্গার।
সেখানে এবারের কলাপে আছে চমক জাগানিয়া নাম। গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লির নামটা বেশ পরিচিত, তবে আর্সেনালের হয়ে ফর্মহীন এই উইঙ্গার।
নিয়মিত একাদশে জায়গা মেলেনা নিয়মিত, আছে ক্লাব ছাড়ার সম্ভাবনাও।
প্রথমবারের মত ব্রাজিল জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন স্যামুয়েল দিয়াজ লিনো, যিনি গত মৌসুমেও খেলেছেন উইঙ ব্যাকে, এর বাইরে খেলেন লেফট মিডফিল্ডার হিসেবে।
আছেন উইঙ্গার লুইস হেনরিক, এর আগে ব্রাজিলের হয়ে খেললেও সেভাবে বড় কোন নাম নন সেন্ট জেনিতের এই লেফট উইঙ্গার।
তরুণ এস্তেভিও উইলিয়ান আছেন দলে। পারফর্মেঞ্চ ভালো হলেও বয়সটা যে মাত্র ১৮ পরবর্তী নেইমার খ্যাত এই তারকার।
দায়িত্ব তাই আবশ্যিকভাবে আসে রাফিনহার কাছে।
সবাইকে এক সুতোয় বাধা, ব্রাজিল দলের জন্য সবসময় বড় চ্যালেঞ্জ।
এর বাইরে দলে তারকার মেলা থাকা, কারো ব্যাক্তিগত নৈপুণ্যে ম্যাচ বের হয়ে আসে। এবার সেই সুযোগ তেমন নেই।
আক্রমণভাগে ফল পেতে হলে সবাইকে এক সুতোয় বাধতে হবে রাফিনহাকে। মাঠে সবাইকে নিয়েই সেই কাজটা করতে হবে তাকে।
রাফিনহার নেতৃত্বে যেমন থাকবে ১৮ বছরের এস্তেভিও, আবার অভিজ্ঞ রিচার্লিসনও থাকবে।
কম তারকা খ্যাতির লুইস হেনরিকরা যেমন আছেন, আবার আলোচনায় থাকা জোয়াও পেদ্রোরাও আছেন।
সবাইকে সমন্বয় করতে হবে তাকে। মাঠে নেতৃত্বগুণে বুঝিয়ে দিতে হবে সবার পরিচয় একটাই, ব্রাজিল জাতীয় দলের খেলোয়াড়।
সবার লক্ষ্য এই ব্রাজিলকেই জেতানো। তবেই মিলতে পারে সফল।
ড্রিবলিং, চাঞ্চ ক্রিয়েট, কর্নার, গোল, এসিস্ট সবই করেন রাফা। জাতীয় দলেও কোচ কার্লোর থেকে এইসবের দিক নির্দেশনা পাবেন এই অভিজ্ঞ খেলোয়াড়।
তবে একা পারফর্ম করলে হবেনা, সবার কাছ থেকে সেরাটা বের করত হবে তাকে।
দলে ভিনি, নেইমার, রদ্রিগোরা না থাকায় অন দ্যা বল ও অফ দ্যা বলে দায়িত্ব বেড়ে গেছে রাফিনহার।
তবে আগামী দুই ম্যাচে যদি দায়িত্বের সঠিক বাস্তবায়ন করতে পারেন, তবে আগামী দিনে তার কাধে ভরসা পাবে ব্রাজিল দল।




