এভাবেই সম্পুর্ন আত্মবিশ্বাসের সাথে ছয় হাকিয়েছেন তানজিদ তামিম,হাকিয়েছেন একের পর এক চারের মার।কখনো নিয়েছেন সিঙ্গেল,কখনো আবার দৌড়ে পীচ পার করেছেন দুবার।
আগের দুই ম্যাচেই শুরুতে আউট হওয়া তামিম,আজ শুরু থেকেই ছিলেন ছন্দে,ব্যাট হাতে তুলোধুনো করেছেন আফগান বোলারদের,শুরুর ৯ বলেই ১৯ রান করা তামিম,পাওয়ার প্লের শেষদিকেও ছিলেন দুর্দান্ত।
পাওয়ার প্লের পর রান চেপে যাওয়ার পর দশম ওভারে তার ছয়ের মারটি ছিলো দলকে বুস্ট করার মতোই।
যদিও ভালো শুরু করেননি এই আসরে।প্রথম ম্যাচে মাত্র ১৪ করেন ১৮ বলে।
আর পরের ম্যাচে ফেরেন শুন্যতেই।তবে আজ যেন নিজের নামের উপর সু বিচারই করতে নেমেছিলেন তানজিদ তামিম।
আসরের শুরুতে এমনটাই আশা ছিলো তার কাছ থেকে।
কেননা দীর্ঘদিন যাবৎই রানে আছেন তানজিদ তামিম,তাই টপ ওয়ার্ডারে ভরসা হয়েই আসরে এসেছিলেন তিনি,যদিও নিজের নামের প্রতি বিচার করতে তৃতীয় ম্যাচ পর্যন্ত দলে থাকতে হলো তার।
অবশ্য এক্ষেত্রে ভুমিকা আছে তার বদলে যাওয়া পার্টনার সাইফ হাসানেরও।তামিমের সাথে সঙ্গ দিয়ে দারুন পার্টনারশিপ গড়েছেন সাইফ,যা তানজিদকে বাচিয়েছে বার্তি চাপ থেকে।
সাইফ আউট হলে ক্যাপ্টেন লিটনের সাথে জুটি গড়েন তামিম।তবে লিটনও দ্রুত ফিরেন নুরের শিকার করে।
তবে এরপরই নিজের অর্ধশতক তুলে নেন তানজিদ তামিম।দলকে শক্তভিত করে দিতে নিজেকে উজার কড়ে দেন এই ওপেনার।
আগের দুই ম্যাচে বাংলাদেশ মনমতো খেলা উপহার দিতে পারেনি,কেননা ওপেনাররা নিজেদের প্রমান করতে পারেননি,তবে আজই যেন ছিলো উলটো চিত্র।
শেষ মেশ ৩১ বলে চারটি ৪, তিনটি ছয়ের মারে ৫২ করে ফেরেন তামিম,
তামিমের ইনিংস তখনি কার্যকর হবে, যখন বাংলাদেশ এই ম্যাচে জয় লাভ করতে পারবে।




