বাংলাদেশ-ভারত মহারণকে সামনে রেখে বাংলাদেশের ক্রিকেট ভক্তদের মধ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে।
ফর্মে থাকা বাংলাদেশ দল আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে, বিশেষ করে তাদের মূল খেলোয়াড় মুস্তাফিজুর রহমান, তানজিম সাকিব ও লিটন দাসের পারফরম্যান্সে ভর করে।
ভারতের বিপক্ষে মুস্তাফিজুর রহমানের আগে থেকেই ভালো রেকর্ড আছে। তিনি যে কোনও মুহূর্তে ব্যাটসম্যানদের দমিয়ে রাখতে পারেন, আর ভারতের ব্যর্থতা সেই কৌশলকে আরও শক্তিশালী করে তোলে।
মুস্তাফিজের ধারাবাহিকতা ও দক্ষতা এই ম্যাচে বাংলাদেশকে এক গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা দেবে।
তার বোলিংয়ে ঝুঁকি নেওয়ার সাহস এবং বিশেষ করে নতুন ব্যাটসম্যানদের ওপর চাপ সৃষ্টি করার ক্ষমতা ভারতের শুরুর জুটি ভাঙার অন্যতম হাতিয়ার হতে পারে।তাছাড়া ফিজ সবচেয়ে বেশি কার্যকরী হবেন ডেথ ওভারে।
অন্যদিকে, তানজিম সাকিবও ভারতের বিরুদ্ধে বিশেষ আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নামছে।
আগ্রাসী বোলিংয়ের মাধ্যমে শুরু থেকেই ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের মনোবল কমাতে পারেন তিনি।
বিশেষ করে অভিষেক শার্মার মতো প্রধান ব্যাটসম্যানকে আউট করতে পারলে দলের জয়ের সম্ভাবনা আরও বেড়ে যাবে। তার বোলিং স্ট্র্যাটেজি ও চাপ মোকাবেলার ক্ষমতা বাংলাদেশকে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে এগিয়ে রাখবে।
অনেক আগে থেকেই ভারতের বিপক্ষে আগ্রাসী থাকেন তিনি।
ব্যাটিং বিভাগে লিটন দাসের উপরও ভরসা রাখছে বাংলাদেশ। ভারতের বিপক্ষে তিনি বড় মঞ্চে কখনোই পিছিয়ে থাকেননি।
লিটন ব্যাটিংয়ে যে আত্মবিশ্বাস দেখান, তা দলকে সুবিধাজনক অবস্থায় পৌঁছে দিতে পারে।
তার দ্রুত রান করার ক্ষমতা এবং ছোট সময়ের মধ্যে ম্যাচের গতিপ্রকৃতি পরিবর্তনের দক্ষতা বাংলাদেশকে এগিয়ে রাখার অন্যতম হাতিয়ার হতে পারে।এই দলের বিপক্ষেই ২০ বলে ৫০ করার রেকর্ড আছে লিটনের।
অন্যদিকে ভারতের সেরা বোলারদের ফর্ম প্রশ্নবিদ্ধ।
বুমরাহ শেষ সময়ে ফর্মে নেই, আর ইয়াদবও শেষ ম্যাচে খরুচে পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের দলের সুযোগ আরও বেড়ে যাচ্ছে। ফিজ, তানজিম ও লিটনের সামর্থ্যকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ ভারতকে চ্যালেঞ্জ দিতে প্রস্তুত।
ফলে মাঠে নামার আগে বাংলাদেশ দল আত্মবিশ্বাসে ভরপুর, তাদের প্রত্যাশা উচ্চ। মুস্তাফিজুর রহমানের বোলিং, তানজিম সাকিবের আগ্রাসী বোলিং এবং লিটন দাসের ঝড়ো ব্যাটিং মিলিয়ে ভারতকে হারানো সম্ভব বলে মনে করছে বিশ্লেষকরা।
আগামী ২৪ তারিখ রাতে মাঠের লড়াইয়ে দেখা যাবে বাকিটা।




