বড় ক্লাবে থেকে অতিরিক্ত বেতন ভাতা বা সুবিধা পেতে পারতেন। তবে এন্থনি সেটা না করে যান তুলনামূলক ছোট ক্লাবে।
গত মৌসুমে সেখানে রিয়াল বেটিসে লোনে গিয়ে সফলতা আসে তার। এমনকি অনেকের ফুটবল খেলার অযোগ্য মনে করা এন্থনি পান জাতীয় দলে ডাক। এরপর লোন থেকে ফিরে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যান।
কিন্ত এন্থনির মন পড়ে ছিল বেটিসেই। পরবর্তীতে স্থায়ীভাবে যোগ দেন এই ক্লাবটিতে।
যোগ দিয়ে প্রথম দুই ম্যাচে দুর্দান্ত পারফর্মেঞ্চ করেন। লা লীগায় গোল এসিস্ট না করেও প্রথম দুই ম্যাচে তার রেটিং ছিল ৭.৮।
তবে তাতে যেন মন ভড়ছিল না ভক্তদের। ভক্তদের আক্ষেপ পুরণ করতে মাত্র এক ম্যাচ নিলেন এন্থনি।
সেই এক ম্যাচেই আদায় করলেন গোল এসিস্ট।
ইপিএলের ক্লাব নটিংহ্যাম ফরেস্টের বিপক্ষে ম্যাচের ১৫ মিনিটে এসিস্ট করে দলকে লিড এনে দেন এন্থনি।
ডানদিক থেকে ডিফেন্ডারকে ড্রিবলিং করে দারুণ দক্ষতায় খুজে নেন ডিবক্সে ফাকায় থাকা স্ট্রাইকার বাকাম্বুকে।
এন্থনির চমৎকার পাসে গোল করতে ভুল করেননি কঙ্গোর স্ট্রাইকার।
এরপর দুই গোল হজম করে পিছিয়ে পড়ে রিয়াল বেটিস। সেখান থেকে দলকে সমতায় ফেরান এন্থনি। ৮৪ মিনিটে তার গোলে ড্র করে রিয়াল বেটিস।
হার্নান্দেজের পাস থেকে বল পেয়ে ডান দিক থেকে তাকে ক্রস দেন স্পেনের মিডফিল্ডার মার্ক রোকা।
সেই ক্রস থেকে বল পেয়ে ঠান্ডা মাথার ফিনিশিংএ বল জালে জড়ান এন্থনি।
গোল এসিস্ট ছাড়াও এই ম্যাচে মোট ২ বার চাঞ্চ ক্রিয়েট, ৬ বার সফল ড্রিবলিং, ১০০ ভাগ হারে ২ টা একুরেট লং বল, ৩ বার সফল ট্যাকেল করেন। এছাড়া ডুয়েলস জয় করেন মোট ১৪ বার। এমনকি ডিফেন্সে ৩ বার ট্যাকেল ও ৬ বার করেন রিকভারি।
আগের দুই ম্যাচেই মোট ১০ টা শট করেন এন্থনি, ৪ টা করেন অন টার্গেট শট। ২ ম্যাচে ৫ বার চাঞ্চ ক্রিয়েট ও ৪ বার করেন সফল ড্রিবলিং।
৩ বার সফল ট্যাকেল করেন ও ১২ বার জয় করেন ডুয়েলস। সফল ক্রস ও দেন একবার।
রিয়াল বেটিস দলে এই মুহুর্তে অন্যতম ইম্প্যাক্টফুল পারফর্মার এন্থনি। রাইট উইঙ্গার হিসেবে বা এটাকিং মিডফিল্ডার হিসেবেও খেলতে পারেন তিনি।
উইঙে তার ক্রিয়েটিভিটির সাথে হার্ডওয়ার্কে তিনি দলের গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হয়েছেন।
অপরদিকে ক্লাবে বেঞ্চেই সময় কাটাচ্ছেন বেশিরভাগ রদ্রিগো। এই মৌসুমে নেই গোল এসিস্ট।
আগামী দিনে তাই কার্লোর চোখে যে পুরোনো শিষ্য রদ্রিগোর চেয়ে এন্থনিই এগিয়ে থাকবে, তাতে নেই সন্দেহ।




