আগের ম্যাচে খেলেননি দলের হয়ে। সেখানে ক্লাবের হয়ে নামেন খেলতে।
যেখানে খেলতে নেমে রেকর্ড করেন লিওনেল মেসি। সে ম্যাচে খেলতে নেমে এমএলএসের মৌসুমের সর্বোচ্চ গোলদাতা হন, গোল এসিস্টেও হন সবার সেরা। এমনকি কিছুদিন আগে মায়ামির হয়ে করেন সর্বোচ্চ গোল এসিস্টের রেকর্ড।
প্রথম মায়ামির খেলোয়াড় হিসেবে ১০০ গোল এসিস্টের কীর্তি করেন
অর্থ্যাৎ ম্যাচ খেললেই যেন রেকর্ড গড়েন মেসি। যে ম্যাচই খেলেন, সেখানেই করেন রেকর্ড।
ব্যাতিক্রম হলোনা আর্জেন্টিনা দলের হয়ে খেলতে নেমে। আর সেখানে মেসি শুধু রেকর্ড করলেন এমন নয়, রেকর্ডে হলেন সেরাদের সেরা।
এমনকি সেই রেকর্ডে টপকে গেলেন নেইমার জুনিয়ারকে। যেখানে শীর্ষস্থানে থাকা নেইমারকে টপকে এখন সেরা মেসি
পুয়োর্তো রিকোর বিপক্ষে এদিন শুরুর একাদশে থেকে শেষ পর্যন্ত খেলেন মেসি। পুরো ম্যাচে দুর্দান্ত পারফর্মেঞ্চ করেন, তুলে নেন দুই এসিস্ট।
আর তাতেই রেকর্ডের পাতায় নাম লেখান লিওনেল মেসি। আন্তজার্তিক ফুটবলে তার চেয়ে বেশি এসিস্ট নেই আর কোন ফুটবলারের।
আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ এসিস্ট, যে কীর্তি মেসি গড়েন গত বছর নভেম্বরে।
পেরুর বিপক্ষে ম্যাচে এসিস্ট করে দলকে জেতান, একই সাথে আন্তজার্তিক ফুটবলে করেন সর্বোচ্চ ৫৮ এসিস্ট।
তবে সেই এসিস্টে তার সঙ্গী ছিলেন দুইজন। একজন তার বন্ধু এবং চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের সেরা তারকা নেইমার জুনিয়র, যার ক্যারিয়ারেও আছে ৫৮ গোল। আর একজন আমেরিকান ফুটবলার ডোনোভান, যিনিও করেন সমান ৫৮ গোল।
এবার ডোনোভানের দেশ আমেরিকায় তার ও নিজের বন্ধু নেইমারের রেকর্ড ভাঙেন মেসি৷
পুয়ের্তো রিকোর বিপক্ষে ২৪ মিনিটে সামনে থাকা একাধিক খেলোয়াড়কে পরাস্ত করে বল পাস দেন মন্টিয়েলকে। যে বল পেয়ে গোল আদায় করেন মন্টিয়েল। আর তাতেই আন্তজার্তিক ক্যারিয়ারে ৫৯ তম এসিস্ট মেসির। যেখানে তিনি এককভাবে থাকেন সেরা হিসেবে।
এরপর আরো এক এসিস্ট করেন মেসি। ম্যাচের ৭৯ মিনিটে লাউতারোকে করা এসিস্ট দিয়ে নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙলেন এই সুপারস্টার। আন্তজার্তিক ফুটবলে এখন মেসির এসিস্ট সংখ্যা ৬০। যেখানে তার আশেপাশে নেইমার ছাড়া নেই তেমন রানিং খেলোয়াড়।
অর্থ্যাৎ এই রেকর্ডটা নিজের স্থায়ী করতে পারবেন মেসি, এমন সম্ভাবনাই যেন অনেকটা বেশি।
সব মিলিয়ে মেসি মানেই যে রেকর্ড, আরো একবার তার প্রমাণ মিললো। অবসরের আগে আর কত কত রেকর্ড নিজের করে নেন এই আর্জেন্টাইন মহাতারকা, সেটাই এখন সবার দেখার বিষয়।




