বরাবর এক বছর পর ইন্টার মায়ামির জার্সিতে হ্যাটট্রিকের দেখা পেলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি।
মেজর সকার লিগে (এমএলএস) নিয়মিত মৌসুমের একেবারে শেষ ম্যাচে এসে তিনি এই কীর্তি গড়লেন।
যাতে ভর করে ন্যাশভিলে এসসিকে ৫-২ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে মায়ামি। এর মধ্য দিয়ে এমএলএসের ইস্টার্ন কনফারেন্সের পয়েন্ট টেবিলে তৃতীয় হয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করেছে মেসির মিয়ামি!
ম্যাচের শুরুটা কিন্তু ছিল একেবারে ভিন্ন। প্রথম থেকেই ন্যাশভিল আক্রমণে আগ্রাসী।
স্যাম সুরিজ একের পর এক শট নিচ্ছেন, আর মায়ামির ডিফেন্স টালমাটাল।
কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত মেসি বলের কাছাকাছি না আসেন, ম্যাচটা যেন শুরুই হয়নি।
৩৫তম মিনিটে, হঠাৎই জাদুর ছোঁয়া। একদম অচিন্তনীয় জায়গা থেকে মেসির দুর্দান্ত ফিনিশ — আর মায়ামি পেয়ে গেল লিড!
কিন্তু প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে ন্যাশভিল দুই গোল করে ২-১ এ এগিয়ে যায়। তখনই ভাবা হচ্ছিল, হয়তো আজ নয় মায়ামির দিন।
কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে শুরু হলো “মেসি শো”!
৬৩তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে সমতা আনেন।
তারপর মাত্র চার মিনিট পর নিজেই তৈরি করেন সুযোগ, আর তার থেকেই বালতাসার রদ্রিগেজের গোলে মায়ামি এগিয়ে যায়।
৮১তম মিনিটে আসে সেই জাদুকরী হ্যাটট্রিক!
তবুও এখানেই থেমে যাননি মেসি — যোগ করা সময়ে টেলাসকো সেগোভিয়াকে পাস দিয়ে দেন শেষ গোলের অ্যাসিস্ট।
শেষ পর্যন্ত ৫-২ এর দাপুটে জয়ে মৌসুমের শেষ ম্যাচটা যেন মেসির একক নাট্যরূপ পেল।
এই ম্যাচের পর তার মৌসুম শেষ হলো ২৯ গোল ও ১৯ অ্যাসিস্টে — এমএলএস গোল্ডেন বুট একেবারেই তার মুঠোয়।
মায়ামি কোচ হাভিয়ের মাসচেরানো ম্যাচ শেষে বলেন,
“লিও ছিল অসাধারণ, যেমন সে সবসময়ই থাকে। কেউ যদি সন্দেহ করত, আজকের পারফরম্যান্সেই তার জবাব মিলেছে।
নিশ্চয়ই সে এমভিপি হবে।”
এখন প্লে-অফ সামনে। আবারও ন্যাশভিলের বিপক্ষেই প্রথম ম্যাচ।
আর যদি মেসি এই ফর্ম ধরে রাখেন, তবে এমএলএস কাপটা মায়ামির হাতেই যাবে — এতে কোনো সন্দেহ নেই!




