দলের প্রধান পেনাল্টি টেকার তিনি। দলের অধিনায়কও তিনি। বয়স বা ক্লাবে অবস্থান, এঞ্জোর অভিজ্ঞতা আছে দুইদিকেই।
পেনাল্টিতে সফলও হচ্ছেন নিয়মিত, একই সাথে নিজেরও আছে দারুণ ফর্ম।
এই মৌসুমে এর মাঝেই ১০ গোল এসিস্ট হয়ে গেছে এঞ্জো ফার্নান্দেজের।
এমন অবস্থানে থাকা এঞ্জো ফার্নান্দেজের সামনে সুযোগ আসে পেনাল্টি থেকে গোল করার।
তবে সেই সুযোগ নিজে না নিয়ে সুযোগ করে দেন দলের তরুণ খেলোয়াড়কে। সেটিও আবার নিজের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশ ব্রাজিল থেকে আসা একজনকে।
এই মৌসুমে চেলসি দলে এসেছেন এস্তেভিও উইলিয়ান। এসে ভালোও করছেন, সুযোগ কাজে লাগাচ্ছেন।
লীগে এর মাঝে ১ গোল ও ১ এসিস্ট পেয়েছেন। তবে চ্যাম্পিয়নস লীগে এর আগে পাননি গোল।
এছাড়া চেলসির উইঙে প্রতিযোগিতা বেশ বড়, তাই সবসময় সুযোগ হয়না মুল একাদশেও।
সব মিলিয়ে সেই সুযোগ আসে চেলসির হয়ে আয়াক্সের বিপক্ষে ম্যাচে।
ডাচ ক্লাবটির বিপক্ষে খেলতে নেমে শুরু থেকেই দুর্দান্ত ছিলেন এস্তেভাও। এর মাঝে ৪৫ মিনিটের মাঝে ৩ গোলও দিয়ে দেয় চেলসি।
এরপর প্রথমার্থের অতিরিক্ত সময়ে আসে আরো এক সুযোগ।
পেনাল্টি বক্সের ভিতর আয়াক্সের ডাচ রাইট ব্যাক ইউরি ব্যাস এস্তেভিওকে ফাউল করলে পেনাল্টির সুযোগ পায় চেলসি। আর সেখানেই পেনাল্টি নেওয়ার কথা ছিল এঞ্জো ফার্নান্দেজের। সবাই সেভাবেই প্রস্ততি নিচ্ছিল।
তবে ক্যাপ্টেন এঞ্জো বল ঠেলে দেন এস্তেভিওকে। একদিকে পেনাল্টি উইন করেন এস্তেভিও, আবার এই তরুণের সামনে চ্যাম্পিয়নস লীগের স্কোরশিটে নাম লেখানোর সুযোগ।
অপরদিকে দলও তখন আছে ২ গোলের লিডে। তাই সেল্ফিশনেস ত্যাগ করলেন আর্জেন্টাইন এঞ্জো, নিজের গোল ব্যাবধান বাড়ানোর চেয়ে একজন তরুণকে দিলেন সুযোগ। সেই সুযোগ কাজেও লাগান ব্রাজিলিয়ান এস্তেভিও, বাম পায়ের শটে টপ কর্নারে মেরে করেন গোল। পেয়ে যান চ্যাম্পিয়নস লীগে নিজের প্রথম গোল।
২০২৩ সালে চেলসিতে যোগ দেওয়ার পর ধুকছিল ক্লাবটি। তবে এই মৌসুমে বেশ দারুণ ফুটবল খেলছে দলটি। আর সেখানে পারফর্মার এঞ্জোর যেমন ভুমিকা আছে, তেমনি ক্যাপ্টেন এঞ্জোর ভুমিকাও অস্বীকার করার নেই সুযোগ। কেননা এই নেতৃত্ব গুণের জন্য এঞ্জো যেমন একদিকে করেছেন আত্মত্যাগ, আবার দেখেননি তার সতীর্থের দেশ পরিচয়। নেতা যেন এমনই হয়, এমন নেতাই দলকে এগিয়ে নিয়ে যায়।




