এবার বদলে গেলো বিপিএলের নিলামের নিয়ম,আগে থেকে থাকবেনা মুল্য নির্ধারণ, দেশী খেলোয়াড়দের জন্য ব্যয় করা যাবে সাড়ে চার কোটি টাকা! এছাড়াও বিদেশী খেলোয়াড়দের জন্য নেই নির্ধারিত মুল্য! ৬ টি ক্যাটাগরিতে থাকবে দেশী খেলোয়াড়। আরো শুনুন প্রতিবেদনে :-
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ২০২৫-২৬ মৌসুমকে সামনে রেখে ঘোষণা করা হয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত দেশি খেলোয়াড়দের নিলামের নিয়মাবলি। বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের প্রকাশিত নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, এবার নিলামে দেশি ক্রিকেটারদের ভাগ করা হয়েছে ছয়টি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে, যেখানে সর্বোচ্চ মূল্যমান নির্ধারিত হয়েছে ৫০ লাখ টাকা।নির্ধারিত ক্যাটাগরি ও তাদের মূল্যমান অনুযায়ী,
A ক্যাটাগরি: ৫০ লাখ টাকা,
B ক্যাটাগরি: ৩৫ লাখ টাকা,
C ক্যাটাগরি: ২২ লাখ টাকা,
D ক্যাটাগরি: ১৮ লাখ টাকা,
E ক্যাটাগরি: ১৪ লাখ টাকা,
F ক্যাটাগরি: ১১ লাখ টাকা।
নিলামে বিড বৃদ্ধির ধারা অনুযায়ী, A ক্যাটাগরির খেলোয়াড়দের প্রতি বিডে বৃদ্ধি পাবে ৫ লাখ টাকা করে। B ক্যাটাগরিতে প্রতি বিডে বৃদ্ধি নির্ধারিত হয়েছে ৩ লাখ টাকা, C ক্যাটাগরিতে ১ লাখ, D ক্যাটাগরিতে ৫০ হাজার, E ক্যাটাগরিতে ৩০ হাজার এবং F ক্যাটাগরিতে ২০ হাজার টাকা।
দেশি খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে দল গঠনের নিয়মেও এসেছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজিকে নিলাম থেকে অন্তত ১৩ জন দেশি খেলোয়াড় দলে নিতে হবে। এছাড়া নিলামের আগে সর্বাধিক দুইজন দেশি খেলোয়াড় ডিরেক্ট সাইনিংয়ের মাধ্যমে দলে ভেড়ানো যাবে। সব মিলিয়ে একটি দলে সর্বাধিক ১৬ জন দেশি ক্রিকেটার রাখার অনুমতি থাকবে।
দেশি খেলোয়াড়দের জন্য প্রতিটি দলের বাজেট বা পার্স নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা, যা শুধুমাত্র নিলামের জন্য প্রযোজ্য,ডিরেক্ট সাইনিংয়ের ব্যয় এই বাজেটের বাইরে গণ্য হবে।
বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল জানিয়েছে, এই নতুন কাঠামোর লক্ষ্য হলো দেশি ক্রিকেটারদের বাজারমূল্যকে আরও স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক করা। পাশাপাশি নতুন খেলোয়াড়দের জন্যও সমান সুযোগ তৈরি করবে এই সিস্টেম।সূত্র বলছে,১৭ তারিখ নয় বরং ২১ তারিখ হতে পারে এবারের নিলাম।




