এঙ্গোলার বিপক্ষে ম্যাচে বিশ্রাম পেয়েছেন, সামনের ব্যাস্ত সুচিতে তাকে দলে ডাকেননি কোচ স্কালোনি।
জাতীয় দলে প্রমাণিত মুখ আলভারেজ। এর সাথে ক্লাবেও দাপট চলছে এই আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকারের।
সর্বশেষ চ্যাম্পিয়নস লীগের মঞ্চে বেলজিয়ামের ক্লাব সেন্ট ইউনিয়ন গিলসের বিপক্ষে করেন গোল করে রেকর্ডেরই পাতায়ই নাম তুলে দেন আলভারেজ।
চ্যাম্পিয়নস লীগের এবারের আসরে ৩ ম্যাচে ৪ গোল এসিস্ট করেন আলভারেজ।
যেখানে ২ গোলের সাথে করেন ২ এসিস্ট। সর্বশেষ ম্যাচে ইউনিয়ন গিলসের বিপক্ষে ৩৯ মিনিটে গোল করে দলের হয়ে লিড এনে দেন।
আর তাতেই রেকর্ডের পাতায় শীর্ষে চলে যান আলভারেজ। চ্যাম্পিয়নস লীগে ৩০ ম্যাচ খেলার পর আলভারেজই আর্জেন্টিনার সর্বোচ্চ গোলদাতা।
যে রেকর্ডে আলভারেজ পিছনে ফেলেছেন মেসি, আগুয়েরোদের মত তারকাদের। বার্সেলোনার হয়ে চ্যাম্পিয়নস লীগের শুরুর ৩০ ম্যাচ খেলেছেন মেসি, সেখানে করতে পেরেছিলেন ১৬ গোল।
১৪ গোল করতে পেরেছিলেন আর্জেন্টিনার সাবেক স্ট্রাইকার ও আলভারেজের সাবেক ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটির লিজেন্ড সার্জিও কুন আগুয়েরো।
আরেক বিখ্যাত স্ট্রাইকার হার্নান ক্রেস্পো শুরুর ৩০ চ্যাম্পিয়নস লীগের ম্যাচে করেন ১৩ গোল।
সমান ১৩ গোল আছে আরেক আর্জেন্টাইন লিসান্দ্রোর। এদের সবার থেকে সেরা হুলিয়ান আলভারেজ।
৩০ ম্যাচ খেলে চ্যাম্পিয়নস লীগে ২৪ গোল এসিস্ট হুলিয়ান আলভারেজের। এর মাঝে ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে করেছেন ১৭ ম্যাচে ১১ গোল এসিস্ট৷
৮ গোলের সাথে করেছেন ৩ এসিস্ট। এথলেটিকো মাদ্রিদের হয়ে দেড় মৌসুমে ১৩ ম্যাচ খেলে করেছেন ১৩ গোল এসিস্ট।
এর মাঝে আছে ৯ গোল ও ৪ এসিস্ট। আর সেখানেই মেসিদের রেকর্ড ভেঙে এখন সবার শীর্ষে আলভারেজ।
ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে চ্যাম্পিয়নস লীগ জিতেছেন। তবে সেখানে নিয়মিত সুযোগ মেলেনি আলভারেজের, বড় ম্যাচে বেঞ্চে থাকতেন, বা নামতেন বদলি হিসেবে।
আর্লিং হলান্ডের মত খেলোয়াড় থাকায় তার সুযোগ মিলত কম। এরপর এথলেটিকোতে এসে সুযোগ পেয়েছেন, তবে সিমিওনের ডিফেন্সিভ ট্যাক্টিক্সের সাথে ছিল দলের পারফর্মেঞ্চের অবনতি।
এতকিছু মিলিয়ে আলভারেজ যেভাবে এই বড় মঞ্চে নিজেকে প্রমাণ করেছেন, সেটাই তার প্রতিভাকে তুলে ধরে।
আগামী দিনে হয়তবা মেসি, আগুয়েরোর চেয়ে বড় তারকা হতে পারবেন না হুলিয়ান আলভারেজ, কিন্ত আর্জেন্টিনাকে আক্রমণভাগে নেতৃত্ব দেওয়ার মত যোগ্যতা যে তার আছে সেটার প্রমাণই তিনি দিচ্ছেন বারবার। এই আলভারেজকে চাইলেই ভরসা করতে পারে আর্জেন্টাইন ভক্তরা।




