ফ্রাঞ্চের হয়ে জিতেছেন ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপ, ২০০০ সালের ইউরো জয়ী দলেরও ছিলেন সদস্য। ক্লাব ক্যারিয়ারে খেলেছেন এসি মিলান, বার্সেলোনা, মার্শেই এর মত ক্লাবে। ফ্রাঞ্চের হয়ে খেলেছেন মোট ৫৫ আন্তজার্তিক ম্যাচ। ক্রিস্টোফার ডুগারি ফুটবল অঙ্গনে বেশ পরিচিত এক নামই।
সেই ডুগারি অবশ্য মজেছেন একজনের প্রেমে। তিনি ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমার জুনিয়র। নেইমারের প্রেমে মুগ্ধ ডুগারি জানান তার কাছে সেরা ব্রাজিলিয়ান এই তারকা। এমনকি প্রতিভায় নেইমারকে কেউই পরাস্ত করতে পারবে না বলেও জানান ডুগারি৷ বিশ্বের সেরা প্রতিভাবান খেলোয়াড়ের নামই নেইমার।
গত জেনারশনে ফুটবল বিশ্বকে শাসন করেছেন মেসি ও রোনালদো।
ফুটবল বিশ্বে লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে আধুনিক যুগের সর্বকালের সেরাদের মধ্যে গণ্য করা হয়।
বিশেষ করে পরিসংখ্যান, অর্জন, রাইভালারি সবকিছুতেই এই দুইজনকে অগ্রগামি ধরা হয়।
তবে প্রতিভার দিক থেকে তাঁদের চেয়েও এগিয়ে নেইমার জুনিয়র—এমন চমকপ্রদ দাবি করেছেন সাবেক ফ্রেঞ্চ লিজেন্ডারি ফুটবলার।
তাঁর মতে, ব্রাজিলিয়ান তারকা জন্মগতভাবেই এমন প্রযুক্তি, ফ্লেয়ার ও সৃজনশীলতার অধিকারী যা মেসি-রোনালদো যুগে অন্য কোনো খেলোয়াড়ের মধ্যে দেখা যায়নি।
সাম্প্রতিক সময়ে আরএমসি স্পোর্টসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই বলেন ডুগারি।
তার সাক্ষাৎকার উঠে আসে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে, আলোচনা হয় টুইটারে।
সেখানে শুধু মেসি, রোনালদোর চেয়ে নেইমার প্রতিভাবান এমনটাই শুধু বলেননি ডুগারি, বলেছেন এই নেইমার ফুটবলেরই বড় প্রতিভা।।এমনকি নেইমারের দক্ষতাকে পরিপুর্ণ বলেন ডুগারি। তার মতে একমাত্র নেইমারের কাছে আছে সবকিছু।
নেইমারকে নিয়ে সাক্ষাৎকারে ফ্রেঞ্চ তারকা বলেন “ নেইমার সম্ভবত ফুটবলে বের হওয়া সবচেয়ে সেরা প্রতিভা।
সত্যিকারের প্রতিভার বিচারে, সে মেসি ও নেইমার থেকে এগিয়ে।।নেইমারের মাঝে সবকিছু আছে, সে সবকিছু করতে পারে”
জাতীয় দল থেকে বাইরে আছেন অনেকদিন, ক্লাবেও অনিয়মিত ইঞ্জুরির কারণে।
তাতে নেইমারকে নিয়ে আলোচনা কমেনি, নেইমার বন্দনা থেমে যায়নি। বরং নেইমারের প্রতি সবার প্রেম এতটাই গাঢ়, সেটাই যেন প্রকাশ হচ্ছে বারবার। সেই প্রেমে সবারই চাওয়া নেইমির হাতে বিশ্বকাপ। দেখা যাক সেই চাওয়া কতটা পুরণ করতে পারেন সেলেসাও লিজেন্ড।




