কোন গোল এসিস্ট নেই ম্যাচে। তাতে ফুটমবের পেলেন ৮.২ রেটিং, সোফাস্কোরের পেলেন ৭.৭ রেটিং।
গোলরক্ষকের পর মাঠে খেলা খেলোয়াড়দের মাঝে সর্বোচ্চ রেটিং পেলেন নেইমার।
কেন নেইমার পরিসংখ্যানে পিছিয়ে থেকেও সবার মনে, সেটারই ঝলক দেখা গেলো এদিন।
পালমেরাসকে একাই ঘুরিয়েছেন এদিন নেইমার। আর তার দেখা গেলো মাঠে। লীগ লিডারদেরকে হারিয়ে এবার রেলিগেশন থেকে উপরে উঠে গেলো নেইমির সান্তোস।
৯০ মিনিট খেলেছেন, ৮৩ ভাগ হারে দিয়েছেন ৪৮ পাস। এর পাজে অপোজিশনের হাফেই দিয়েছেন ৪০ পাস।
সর্বমোট ৫ টি দিয়েছেন কি পাস। পুরো মাসে ফাইনাল থার্ডে পাস দিয়েছেন ১৭ বার। ৬৬ ভাগ হারে ২ বার সঠিক লং বল দেন।
৪ বার কর্নার করেন, সফল ক্রস দেন একবার। ৭ বার জয় করেন মুখোমুখি লড়াই ডুয়েলস।
ম্যাচে সর্বোচ্চ ৫ বার ফাউলের সম্মুখীন হন, এমনকি ৪ বার রিকভারি করেন। কিন্ত নেইমার নেইমার সুলভ ছিলেন অন্য জায়গায়। আর সেটা তার চাঞ্চ ক্রিয়েশনে।
মোট ৫ বার চাঞ্চ ক্রিয়েট করেন ব্রাজিলের হয়ে সর্বোচ্চ গোল করা নেইমারকে।
কখনও ডিফেন্স ছেড়া পাস, কখনও টার্নব্যাক, কখনও কাটব্যাক, কি ছিল না নেইমারের খেলায়। পালমেরাসের থ্রি ম্যান ব্যাকলাইনকে পাত্তাই দিলেন না নেইমার।
এই দলটাই সিরিআ টপে, মহাদেশীয় সর্বোচ্চ আসর কোপা লিপার্তোদেসের ফাইনালেও পৌছে গেছে।
অথচ সেই পালমেরাসের ডিফেন্স এককথায় যেন নাচিয়েই ছেড়েছেন নেইমার।
যার প্রভাব পড়েছে ম্যাচে। শেষ পর্যন্ত আর সান্তোসকে আটকে রাখতে পারেনি পালমেরাস, সান্তোসের শেষ মুহুর্তের গোলে হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাদের।
ইঞ্জুরি থেকে ফিরেছেন এক ম্যাচ আগে। আগের দুই ম্যাচে নেইমার খারাপ খেলেছেন, সেটা বলার সুযোগ নেই। দল জয় পায়নি, তবে নেইমার চেষ্টা করেছেন। তবে যে নেইমারকে দেখে অভ্যস্ত, সেই নেইমারের ছাপ আসলে মেলেনি। এবার যেন সেই নেইমারকেই দেখা গেলো।
মাঠে থাকলে একাই যে ডিফেন্স ভাঙতে সক্ষম নেইমার, সেটার প্রমাণ দেখা গেলো এদিন।
এবার গোল এসিস্টে নেইমারের ধারাবাহিকতা পাওয়া বাকি। নাম্বার নাইনে খেলছেন, তার ফিনিশিং দক্ষতা ব্রাজিলের অন্য সবার থেকে ভালো।
কার্লোর প্রত্যাশার জায়গাও ছিল নেইমির ফিনিশিং স্কিল। আর সেখানে একবার ধারাবাহিক হলে, নেইমারকে বিশ্বকাপ দলে নিতে বাধ্য থাকবেন কোচ।
কার্লোর দল, ফর্মে থাকা ভিনি, রাফিনহা, এস্তেভাওদের যদি আসেন নেইমার, তবে ব্রাজিলের আক্রমণ প্রতিপক্ষের জন্য হবে মুর্তিমান এক আতঙ্ক।




