খেলার তখন ৩১ তম মিনিট,গোলবার ছেড়ে গিয়ে প্রতিপক্ষ দলের খেলোয়াড়ের পায়ে বল দিলেন মিতুল মারমা।
ফাকা জাল পেয়ে কিক নিলেন ভারতীয় খেলোয়াড়, তবে সেখানেই উড়ন্ত এক হেডে দলকে বাচিয়ে দিলেন হামজা চৌধুরী, যেন ডিফেন্স মিড,এটাকের সাথে গোলবারটাও সামলেছেন এই মিডফিল্ডার।
যাকে বলা যায় ফুটবলের নাম্বার ওয়ান অলরাউন্ডার।
শুধু এটিই নয় ম্যাচ জুড়েই হামজা ছিলেন মাঠ জুড়ে,এই হামজা দলে খেলাই যেন এখন গর্বের এক ব্যাপার।
এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের ম্যাচে আজ জাতীয় স্টেডিয়ামে ভারতের মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ।
প্রথমার্ধ শেষে মোরসালিনের গোলে ১-০ গোলে এগিয়ে ছিলো স্বাগতিকরা।
ফিরেই বাজিমাত করেছেন শেখ মোরসালিন। চোটের কারণে নেপালের বিপক্ষে সর্বশেষ ম্যাচে ছিলেন না বাংলাদেশি ফরোয়ার্ড।
আজ ভারতের বিপক্ষে একাদশে ফিরেই বাংলাদেশকে আনন্দে ভাসালেন তিনি।
ঠাণ্ডা মাথায় দুর্দান্ত এক ফিনিশিং করলেন মোরসালিন।
ম্যাচের ১১ মিনিটে ভারতের গোলকিপারে দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে আলতো টোকায় জালে জড়ান।
তার ক্যারিয়ারের সপ্তম গোলের পাসটা অবশ্য দুর্দান্ত দেন রাকিব হোসেন।
বাঁ পাশ দিয়ে দুরন্ত গতিতে প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়কে ছিটকে ফেলে শেষ মুহূর্তে ডান পায়ে পাস বাড়ান রাকিব।
তা থেকে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে ভুল করেননি মোরসালিন।
গোল পাওয়ার পর আরো কয়েকটি আক্রমণ সাজিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে সে সব গোল পাওয়ার মতো ছিল না।
অন্যদিকে ভারত সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগটা পেয়েছিল ম্যাচের ৩১ মিনিটে।
গোলবার ছেড়ে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে ভারতের এক খেলোয়াড়কে বল দেন গোলরক্ষক মিতুল মারমা।
গোলবারে শটও নিয়েছিলেন ভারতীয় খেলোয়াড়। তবে জালে জড়ানোর আগে হেডে ক্লিয়ার করেন হামজা।
অন্যদিকে ৪২তম মিনিটে দ্বিতীয় গোলের সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। বক্সের বাইরে থেকে শটও নিয়েছিলেন হামজা চৌধুরী।
তবে তার ভলি অল্পের জন্য বাইরে দিয়ে যায়। পরে আর কোনো গোল না হলে এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বের ম্যাচে বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।
দ্বিতীয়ার্ধে ধুকেছে বাংলাদেশ, তবে সলিড ছিলেন একজন,তিনি হামজা চৌধুরী।




