স্ত্রীর সঙ্গে ডিভোর্সের পর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন মরক্কোর তারকা ফুটবলার আশরাফ হাকিমি।
আলোচনার কারণ,তার বিপুল সম্পদের মালিকানা যে নিজের নয়, বরং মায়ের নামে! ব্যক্তিগত জীবনের এই অনন্য দৃষ্টান্তের পর এবার মাঠের পারফরম্যান্সেও শীর্ষে উঠলেন তিনি।
২০২৫ সালের আফ্রিকান ব্যালনডিওর জয় করে নিজের ক্যারিয়ারে যোগ করলেন আরেক অনন্য অর্জন।
ইনজুরির কারণে গত মৌসুমে কিছু ম্যাচ মিস করলেও পিএসজির হয়ে মৌসুমজুড়ে ছিলেন কার্যকর।
ফরাসি ক্লাবটির ঐতিহাসিক ট্রেবল জয়ের অন্যতম নায়ক ছিলেন হাকিমি। লিগে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স, গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে প্রভাব বিস্তার এবং দলকে বড় শিরোপা জেতানোর সামর্থ্যই তাকে বর্ষসেরা নির্বাচিত হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রাখে।
পিএসজির হয়ে গত মৌসুমে তিনি জিতেছেন চারটি শিরোপা,তিনটি ঘরোয়া শিরোপার সঙ্গে স্বপ্নের ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। এছাড়া ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলে মৌসুমটি স্মরণীয় করে রেখেছে পিএসজি।
আগামী ২১ ডিসেম্বর ঘরের মাঠে শুরু হতে যাওয়া আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সে মরক্কো দলকে নেতৃত্ব দেবেন এই ডান-ডিফেন্ডার। জাতীয় দলকেও সাফল্যের পথে এগিয়ে নিতে তার প্রতি দেশটির সমর্থকদের প্রত্যাশা এখন তুঙ্গে।
আফ্রিকার বর্ষসেরা ফুটবলারের তালিকায় ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বার এই পুরস্কার জিতেছেন স্যামুয়েল ইতো এবং ইয়াইয়া তুরে।
এবার সালাহ ও ওসিমেনকে পেছনে ফেলে হাকিমির শিরোপা জয় বিশেষ উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে তাকে। সালাহ এর আগে ২০১৭ ও ২০১৮ সালে এবং ওসিমেন ২০২৩ সালে পুরস্কারটি জেতেন।
শুধু বর্ষসেরা ফুটবলার নয়, অন্যান্য ক্যাটাগরিতেও আলো ছড়িয়েছে মরক্কো।
আফ্রিকার সেরা গোলকিপার হয়েছেন ইয়াসিন বোনো, সেরা তরুণ ফুটবলার মরক্কোর ওসমানে মাম্মা এবং সেরা কোচ নির্বাচিত হয়েছেন কেপ ভার্দের বুবিস্তা। নারীদের বিভাগেও এসেছে মরক্কোর সাফল্য,গিজলেন চেব্বাক জিতেছেন বর্ষসেরা নারী ফুটবলারের সম্মান, যেটি মরক্কোর ইতিহাসে প্রথম।




