জুনে দলের দায়িত্ব নিয়েছেন, সে থেকে এখন পর্যন্ত খেলেছেন মোট ৮ ম্যাচ। জয় পরাজয় ছাপিয়ে প্রতিবারই একটা কথাই শোনা গিয়েছে, পরীক্ষা নিরীক্ষা। এর বাইরে প্রতিবারই স্কোয়াড সেলেকশন নিয়ে ছিল সমালোচনা।
সেটার খেসারত অবশ্য দিতে হয়েছে কার্লোকে। তার পছন্দের অনেক খেলোয়াড়ের জন্যই অনেক ম্যাচে ফলাফল আসেনি ব্রাজিলের কাছে।
বিশ্বকাপের আগে আরো দুই ফিফা উইন্ডো পাবে সেলেসাও দল।
তবে তার আগে ব্রাজিলের জন্য আছে বিগ ম্যাচ। মার্চে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ হিসেবে আছে ফ্রাঞ্চ।
এই সময়ের অন্যতম সেরা দল ফ্রাঞ্চ। গত দুই বিশ্বকাপে যারা একবার হয়েছে চ্যাম্পিয়ন, আরেকবার রানারআপ।
ডেম্বেলে, এমবাপ্পে, ডুয়ো, বার্কোলা, শুয়েমিনি, চেরকি, সালিবা সহ তারকার অভাব নেই ফ্রাঞ্চ দলে। প্রশ্ন হচ্ছে সেখানেও কি এক্সপেরিমেন্ট করবে ব্রাজিল দল? নাকি বাড়াবে দলের শক্তি।
এই যেমন সেন্টার ব্যাকে একাধিক অপশন থাকা স্বত্তেও ফ্যাব্রিসিও ব্রুনোকে বারবার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। জাপানের বিপক্ষে ভুলের পর তিউনিশিয়ার সাথেও তেমন ইম্প্যাক্ট রাখতে পারেননি তিনি।
উলটো মিলিতাও এর ইঞ্জুরির পর ভুগেছে ব্রাজিল দল। আগামী ম্যাচে এই জায়গায় ভালো কাউকে সুযোগ দিতে পারেন কোচ কার্লো।
সেক্ষেত্রে দলের শক্তি বাড়াতে পারেন বেরালদো, ভিটর রেইস বা ব্রেমারের মত সেন্টার ব্যাকরা। চাইলে মুরিলোকেও রাখতে পারেন বাজিয়ে
মাঝমাঠে শুরুর ম্যাচে ৩ জন খেলালেও ৪-২-৩-১ এ ফিরে যান কার্লো। তাতে অধিকাংশ ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ হারায় ব্রাজিল। এর সাথে ফ্রাঞ্চের মাঝমাঠ শক্তিশালী। তাদের বিপক্ষে এই জায়গায় কন্ট্রোল না আনতে পারলে এমবাপ্পে, ডেম্বেলেদের নিয়ে যেকোন কিছু করতে পারবে শুয়েমিনি, চেরকিরা। আর সেখানে ব্রুনো ক্যাসের ভালো বিকল্প দরকার। নেইমার, কৌতিনহোরা আলোচনায় তো আছেনই, এদের সাথে আন্দ্রেস পেরেইরা,ম্যাথুইস পেরেইরা, এডারসন, বিদনরা দলের শক্তি তো বাড়াবেনই, ব্রাজিলের হয়ে কন্ট্রোলও আনবেন।
রাফিনহা আক্রমণভাগে আসলে দল শক্তিশালী হবে, সাথে ভিনি ও এস্তেভাওরা আছেন। তবে নাম্বার নাইনে আর রিচার্লিসনকে চাননা সেলেসাও ভক্তরা। লিওনার্দো, ইগর থিয়োগাদের সুযোগ দেওয়ার পক্ষে অনেকে। আবার রক, কাইও জর্জদের আবারো সুযোগ দিতে চান অনেকে।
নেইমার এসে নাম্বার নাইনের হাল ধরুক, এটাও চাওয়া অনেকের। শেষ পর্যন্ত দলের শক্তি বাড়ানোর অনেক সুযোগ থাকবে কার্লো আনচেলত্তির সামনে।
বিশ্বকাপের আগে পরীক্ষা নিরীক্ষার নামে বিতর্কিত স্কোয়াড চায়না ভক্তরা। কেননা ফ্রাঞ্চ ম্যাচে এদিক ওদিক হলেই হার তো হতেই পারে, হারতে হতে পারে বড় ব্যাবধানেও। আর সেখানেই মার্চে অনুষ্ঠিতব্য ম্যাচে কেমন দল করেন কার্লো, সেটাই এখন দেখার বিষয়। আগামী ২৮ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে দুই দলের মুখোমুখি লড়াই৷




