আগের ম্যাচে ইউনিয়ন সেন্ট গিলসের সাথে করেন রেকর্ড। চ্যাম্পিয়নস লীগের মঞ্চে প্রথম ৩০ ম্যাচে তার থেকে বেশি গোল এসিস্ট করতে পারেননি কোন আর্জেন্টাইন।
এমনকি সেই নামটা লিওনেল মেসিও নন। ৩১ তম ম্যাচে খেলতে নেমেও সেই রেকর্ড নিজের করে রাখলেন আলভারেজ।
সাথে করলেন এক গোল, তাতে জিতলো এথলেটিকো মাদ্রিদ।
চ্যাম্পিয়নস লীগের আগের চার ম্যাচের চারটাতেই জয় ইন্টার মিলানের। ইতালিয়ান এই ক্লাবটি আগের চার ম্যাচে করে ১১ গোল।
সেই ইন্টারের বিপক্ষেই জয় পায় এথলেটিকো। রিয়াদ মেট্রোপলিটনে যার শুরুটা আসে আলভারেজের হাত ধরেই।
৯ মিনিটে সতীর্থ সিমিওনের ক্রস থেকে বল পান স্প্যানিশ লেফট উইঙ্গার বায়েনা। তবে সেখান থেকেই বল আসে আলভারেজের পায়ে।
এরপর তার দারুণ এক শট খুজে নেয় জালের ঠিকানা, যেখানে গোলরক্ষক ইয়ান সোমার ছিলেন অসহায়।
এরপর যদিও ম্যাচে এসেছে আরো দুই গোল। দ্বিতীয়ার্থের শুরুতে জিলানেস্কি গোল করেন ইন্টার মিলানের হয়ে।
তবে অতিরিক্ত সময়ে এথলেটিকো মাদ্রিদের হয়ে গিমিনেজ গোল করে নিশ্চিত করেন দলের জয়।
চ্যাম্পিয়নস লীগে ৩১ ম্যাচ শেষে ২৫ গোল এসিস্ট আলভারেজের। তবে এর মাঝে অধিকাংশ ম্যাচ শুরুর একাদশের বাইরে ছিলেন তিনি।
ম্যানচেস্টার সিটির জার্সিতে অনেক ম্যাচ খেলেন বদলি নেমে। আর সেখানে মোট ২০ ম্যাচ থাকেন শুরুর একাদশে।
মাত্র ২০ ম্যাচ শুরুর একাদশে থেকে ভিন্ন ভিন্ন পজিশনে থেকে ২৫ গোল এসিস্ট, নিজের ক্যালিবার চ্যাম্পিয়নস লীগে ভালোভাবেই জানান দেন আলভারেজ।
অবশ্য লীগে যে খুব পিছিয়ে আলভারেজ, এমনটা মোটেও নয়। গত মৌসুমে এথলেটিকো মাদ্রিদের জার্সি গায়ে লীগে ১৭ গোল করেন।
এই মৌসুমে এর মাঝে ১৩ ম্যাচে ৭ গোল করা হয়ে গেছে তার। আর্জেন্টিনার জার্সিতেও গোল করেন নিয়মিত।
২০২২ সালে আর্জেন্টিনার হয়ে অভিষেকের পর ১৩ বার স্কোরশিটে নাম তুলেন আকাশী নীলদের হয়ে। আলভারেজ যেন আর্জেন্টিনার স্বপ্নেরই প্রতীক
তা হবেন নাই বা কেন। গত বিশ্বকাপে দলের প্রথম পছন্দ ছিলেন না, কিন্ত এরপরের গল্পটা সবার জানা।
এবার যে কারণে আলভারেজকে ঘিরে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। বড় মঞ্চে আলভারেজ পারফর্ম করতে জানেন, জানেন দেখেই তাকে ঘিরে সমর্থকদের উচ্চাশা। আর সেটা পুরণের দায়িত্বও থাকবে তার কাধেই।




