লীগে দলের অবস্থান ১৮ নাম্বারে। একটা সময় অনেক তারকা খেলোয়াড় খেললেও এই মৌসুমে জিরোনা দল যেন জীর্ণ শীর্ণ।
যে কারণে লা লীগায় ভুগছে দল, ১২ পয়েন্ট নিয়ে আছে রেলিগেশন জোনে৷ তবে দলের প্রাপ্তি এর মাঝে একজন, তিনি ব্রাজিলিয়ান সেন্টার ব্যাক ভিটর রেইস।
যার কারণে রিয়াল মাদ্রিদ, রিয়াল বেটিসরা জয় আনতে পারেনি জিরোনার বিপক্ষে, বার্সেলোনাও পেয়েছে কষ্টার্জিত জয়।
সর্বশেষ ম্যাচে মাদ্রিদের বিপক্ষে ৯৩ ভাগ হারে ৪১ পাস খেলেন। মোট ১৬ বার ডিফেন্সিভ কন্ট্রিবিউশন করেন, যা ছিল ম্যাচে সর্বোচ্চ।
৪ বার দেন সঠিক লং বল, ১ বার করেন শট৷ ৪ বার ব্লক ও ১২ বার করেন ক্লিয়ারেন্স। এর মাঝে হেডেই ক্লিয়ার করেন ৭ বার।
এর আগে বার্সেলোনার বিপক্ষে ১২ বার করেন ক্লিয়ারেন্স, ৩ বার করেন ব্লক। ৩৬ সফল পাসের সাথে শতভাগ হারে জয় করেন এরিয়াল ও গ্রাউন্ড ডুয়েলস, সেটাও ৬ বার। সে ম্যাচে ৬ বার হেডে বল ক্লিয়ার করেন রেইস।
বেটিসের বিপক্ষে আগের ম্যাচে ৭ বার ক্লিয়ার করেন, যার মাঝে ৫ বার করেন হেডে ক্লিয়ার। এর বাইরে ডুয়েলস জয় করেন ৪ বার, সেটাও পুরোটা এরিয়ালে।
সব মিলিয়ে একটা জিনিস স্পষ্ট, এরিয়ালে দারুণ রেইস। যে জায়গায় মেঘালাস ছাড়া ব্রাজিল দলে ভরসা করার মত নেই কেউ।
আর বড় বড় দলগুলো এই জায়গায় করে টার্গেট। বিশেষ করে ক্রসিং বা লং বলে বড় বড় স্ট্রাইকাররা সুযোগ কাজে লাগাতে চান, আর সেখানেই বাধা হতে পারেন ভিটর রেইস।
রেইসের এই পারফর্মেঞ্চ এর মাঝে নজর গেছে সিটি কোচ পেপ গার্দিওলার কাছে। যে কারণে পুরো মৌসুমের লোনে থাকলেও জানুয়ারিতে তাকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবছেন পেপ। কিন্ত পেপের সাথে কি কার্লোর নজর কাড়বেন রেইস?
অন্তত ফ্যাব্রিসিও ব্রুনোর জাতীয় দলে পারফর্মেঞ্চে ভক্তরা রেইসকে মনে করছেন বারবার।
জাতীয় দলে ব্রুনো ভুগেছেন, ভুল করেছেন। এর সাথে রেইস প্রতিভাবান, এর আগে পালমেরাসে নিজেকে প্রমাণ করেছেন।
সেই প্রমাণ করেই সিটি দলে সুযোগ পান তিনি। আর্জেন্টিনা একাধিক তরুণদের দিয়ে বাজিমাত করছে, বিশ্বকাপও জিতে যাচ্ছে।
সেখানে ব্রাজিল ভরসা রাখতে পারছেনা তাদের উপর। অন্তত মার্চে একবার সুযোগ দেওয়া যেতেই পারে রেইসকে। কে জানে, আগামী দিনে রেইস হতে পারেন ব্রাজিলের বিপদের কান্ডারি।




