এইতো কিছুদিন আগেও বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার সাথে হাড্ডাহাড্ডি টক্কর দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ তাদের সাথে হজম করেছে অর্ধ ডজনের চেয়ে বেশি গোল,অথচ তেমন একটি দল ছেড়ে বাংলাদেশের জার্সিতে খেলতে এসেছিলেন আরহাম।
অ-১৭ থেকে অ-২৩ দলের চুড়ান্ত দলে সুযোগ হয়নি তার।সর্বশেষ অ-২৩ দলের প্রধান কোচ তাকে স্কোয়াডে রাখলেও তাকে বাদ দিতে হয় ক্যাবরেরার কথায়।অথচ সেই আরহাম খেলবেন অস্ট্রেলিয়ার হয়ে।
বাংলাদেশের বয়সভিত্তিক দলে প্রথম প্রবাসী খেলোয়াড় হিসেবে সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। ২০২৪ সালের নভেম্বরে কম্বোডিয়ায় অনুষ্ঠিত এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ টুর্নামেন্টে লাল-সবুজ জার্সি গায়ে মাঠেও নেমেছিলেন।
তবে এরপর আর তাকে কোনো বয়সভিত্তিক দলের ক্যাম্প বা স্কোয়াডে দেখা যায়নি।
দীর্ঘ এক বছরে অনূর্ধ্ব-১৯ কিংবা অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কোনো পরিকল্পনাতেই তাকে রাখা হয়নি।
এই উপেক্ষা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমর্থকদের ক্ষোভও দেখা গেছে।
বাংলাদেশের সেই অনাগ্রহের বিপরীতে আরহামের নতুন সাফল্যের খবর এসেছে অস্ট্রেলিয়া থেকে।
অস্ট্রেলিয়া অনূর্ধ্ব-২০ দলের জন্য ঘোষিত স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন এই প্রতিশ্রুতিশীল মিডফিল্ডার।
আসন্ন ডিসেম্বর মাসে জাপানে অনুষ্ঠিতব্য এসবিএস কাপে অংশ নেবে অস্ট্রেলিয়া, আর সেই দলে গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবেই রাখা হয়েছে আরহামকে।
এসবিএস কাপে অস্ট্রেলিয়া অনূর্ধ্ব-২০ দল ১৮ ডিসেম্বর প্রথম ম্যাচ খেলবে স্পেনের বিপক্ষে।
এরপর ২০ ডিসেম্বর তারা মুখোমুখি হবে স্বাগতিক জাপানের শিজুওকা প্রিফেকচার দলের।
২১ ডিসেম্বর জাপান অনূর্ধ্ব-২০ দলের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শেষ হবে অস্ট্রেলিয়ার গ্রুপ পর্বের লড়াই।
বর্তমানে আরহাম অস্ট্রেলিয়ার ক্লাব ওয়েস্টার্ন ইউনাইটেডের অনূর্ধ্ব-২৩ দলে নিয়মিত খেলছেন এবং সেখানেই তার ধারাবাহিক পারফরম্যান্স নজর কাড়ছে।
সবচেয়ে আক্ষেপের ব্যাপার হলো ফিফার রুলস অনুযায়ী একবারই দল পাল্টাতে পারেন একজন খেলোয়াড়, অর্থাৎ যদি অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলে ফেলেন,তাহলে আর বাংলাদেশের হয়ে খেলা সম্ভব না আরহামের!
অবশ্য এতে হয়তো খুশিই হবে বাংলাদেশ ফুটবল সিন্ডিকেট ফেডারেশনের!




