বয়সটা ৪১ বছর, এই বয়সে অনেকে কোচিং ক্যারিয়ারে মনযোগ দেন। অথচ ব্রাজিলিয়ান সিলভা এই বয়সে পুনরায় ফিরেছেন ইউরোপে।
ফ্লুমিনেসের হয়ে খেলা চালিয়ে যাচ্ছিলেন, তবে এই মৌসুম শেষে তাদের থেকেও বিদায় নেন। আর সেখানে তার সম্ভাব্য ঠিকানা ইউরোপের কোন ক্লাব। কিন্ত কোন ক্লাবে যাবেন সিলভা?
অবশ্য থিয়োগা সিলভা যেকোন জায়গায়ই চাইলে খেলতে পারেন, এমনটাই মত ব্রাজিলে তার মিতা সাংবাদিক থিয়োগা রেবেলোর।
অন্তত সেখানে বয়স বা ফিটনেস প্রাধান্য পাবেনা তার জন্য। কেননা ২০২৫ সালে ৭৯ ম্যাচ খেলেছেন সিলভা, নিজেদের প্রাইমেও কারো জন্য এক বছরে এত ম্যাচ খেলা স্বপ্নের মতই।
সিলভাকে নিতে সবচেয়ে বেশি আগ্রহী এসি মিলান। এই দলে বহুবারই বয়স্ক খেলোয়াড়রা ফিরেছেন।
জ্বালাতান থেকে লুকা মদ্রিচ, বয়স কখনই বড় ব্যাপার ছিল এসি মিলানের। এর বাইরে এই মৌসুমে সেন্টার ব্যাক পজিশনে ধুকছে ক্লাবটি।
দলটি এমনিতেই খেলছে থ্রি ম্যান ব্যাকলাইন নিয়ে। এর বাইরে দলের স্কোয়াডে খেলোয়াড়েরও আছে সংকট, অন্য অনেক দলের চেয়ে খেলোয়াড় কম এসি মিলানে।
এছাড়া এই মুহুর্তে সিলভার মত অভিজ্ঞ কাউকে ডিফেন্সেও খুজছে দলটি। সব মিলিয়ে এসি মিলানে সিলভাকে দেখা যাওয়ার আছে বড় সম্ভাবনা।
ট্রান্সফারমার্কেটের মতে চেলসি ও লিভারপুলেও দেখা যেতে পারে সিলভাকে। চেলসির সাথে সিলভার সম্পর্ক পুরোনো।
এর বাইরে দলের অভিজ্ঞ খেলোয়াড় তসিনের বয়স ২৮। যে কারণে দলের স্কোয়াডে অনেক খেলোয়াড় থাকলেও অভিজ্ঞতার ঘাটতি আছে দলে। এছাড়া চেলসি দলে ইঞ্জুরি প্রবণতা বেড়েছে বেশ। লীগ, চ্যাম্পিয়নস লীগসহ একাধিক আসরের জন্য সিলভা হতে পারেন দারুণ অপশন।
লিভারপুলের জন্য সিলভা আসতে পারেন সমাধান হিসেবে। আর্নে স্লটের দল ডিফেন্সে এই মৌসুমে ভুগছে বেশ। এর বাইরে খেলোয়াড়দের অফফর্ম ও ইঞ্জুরি সমস্যা তো আছেই। তাই সিলভার দিকেও অলরেডদের নজর থাকতে পারে, এমনটাই মত ট্রান্সফারমার্কেটের।
ট্রান্সফারমার্কেটের মতে আরো দুই ইংলিশ ক্লাব ওয়েস্ট হ্যাম ও ফুলহ্যামেও যেতে পারেন থিয়োগা সিলভা।
নিজেদের ফর্ম উন্নতি করতে সিলভার সহায়তা চাইতে পারে ওয়েস্ট হ্যাম। আর উইলিয়ানের মত অভিজ্ঞ ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড় এর আগে এসেছে ফুলহ্যামে। সেই ধারায় এবার সিলভা আসতে পারেন এই দলটাতে।
সব মিলিয়ে অনেক অপশন আছে সিলভার সামনে। তবে যেখানেই খেলেন সিলভা, তার ৪২ বছরে এসে লাতিন দেশের সদস্য হয়েও ইউরোপের বড় ক্লাবে খেলা যেন অন্যদের জন্য বিরল এক দৃষ্টান্তই হয় থাকবেন




