জাতীয় দল থেকে অবসর নিয়েছেন ২০২৪ সালেই। আর্জেন্টিনার হয়ে কোপা আমেরিকা জয়ের পর আর মাঠে নামেননি আলভিসেলেস্তাদের হয়ে।
বিশ্বকাপের পর কোপা আমেরিকা জয় দিয়ে শেষ হয় এনহেল ডি মারিয়ার যাত্রা। ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ খেলবেন না ডি মারিয়া।
মাঝে শোনা গিয়েছিল অবসর ভেঙে হয়ত ফিরবেন। কিন্ত সেটারও নেই সম্ভাবনা।।ফলে মাঠের ফুটবলে আর্জেন্টিনা দলের জন্য আর নেই এনহেল ডি মারিয়া।
কিন্ত আসলেই কি নেই ডি মারিয়া? মাঠে না থাকলেই কি ফুরিয়ে যায় ডি মারিয়ার স্মৃতি। ডি মারিয়া আছে আর্জেন্টিনার ভক্তদের মনে, স্মৃতিতে, স্মরণে।
যে কারণে বিশ্বকাপে ডি মারিয়াকে দেখা না গেলেও বিশ্বকাপের অংশ তাকে করতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা দল। তার অংশ হিসেবেই এবার ডি মারিয়ার কাছে তুলে দেওয়া হলো ২০২৬ বিশ্বকাপের জার্সি।
সাম্প্রতিক সময়ে বোর্ড থেকে ডেকে ডি মারিয়াকে দেওয়া হয় এই জার্সি। আর্জেন্টিনার ফুটবল বোর্ডের সভাপতি ক্লাদিও তাপিয়া তাকে নিজ হাতে জার্সি তুলে দেন।
এডিডাস সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বকাপের জন্য আর্জেন্টিনার প্রকাশ করে জার্সি। আকাশী নীল জার্সির সাথে দুইদিকে কালো স্ট্রাইপ, হাতায় আলাদা কালো রঙের ডিজাইন।
এমন জার্সির পিছেন লেখা ডি মারিয়া, সাথে ১১ নাম্বার। এই জার্সিই তুলে দেওয়া হলো এনহেল ডি মারিয়ার কাছে।
না এই জার্সি পড়ে ডি মারিয়া মাঠ মাতাবেন না। খেলবেন না বিশ্বকাপ। কিন্ত ডি মারিয়াকে ছাড়া যে অসম্পূর্ণ আর্জেন্টিনার ইতিহাস।
২০২১ সালে তার একমাত্র গোলে ফাইনালে ব্রাজিলকে হারিয়ে শিরোপাক্ষরা কাটায় আর্জেন্টিনা দল। ২০২২ সালের ফাইনালেও আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালে গোল আসে ডি মারিয়ার পা থেকে।।
মেসি, এমিরা আর্জেন্টিনার যাত্রায় সাহায্য করলে, সেটাকে পুর্ণতা দিয়েছেন এনহেল ডি মারিয়া। তাই ডি মারিয়াকে কি ভুলে থাকা যায় আর্জেন্টিনার পক্ষ থেকে?
যে কারণে এবার নিজেদের লিজেন্ডকে ডেকে এনে সম্মান জানালো আর্জেন্টিনা দল।
অবশ্য একই দিনে সিলভার অলিম্পিক এওয়ার্ড জিতেছেন ডি মারিয়া,নিজের দেশের সাংবাদিকদের ভোটে পান এই পুরষ্কার।
নিজ দেশকে ডি মারিয়া বিলিয়ে দিয়েছেন সব। আর সেটার প্রাপ্য সম্মানও দেওয়া হচ্ছে তাকে। লিজেন্ডকে কীভাবে সম্মান জানাতে হয়, সেটাই যেন শিখিয়ে দিচ্ছে আর্জেন্টিনা দল।




