গত ইউরোতে তারা হারিয়ে দেয় পর্তুগালের মত ক্লাবকে। রোনালদো, নেভেস, ব্রুনোদের দল পরে জয় করে ন্যাশনস কাপের মত শিরোপা।
এই মুহুর্তে ইউরোপের অন্যতম ডার্কহর্স দল জর্জিয়া। দলে খেলেন কাভিচা কাভারাৎখেলিয়ার মত বিশ্বমানের খেলোয়াড়।
সেই দেশের লীগেই খেলবেন বাংলাদেশের তারকা মোরসালিন।
দলের সেরা মোরসালিন নয়, তবে দলের সেরা তরুণ তারকা নিসন্দেহে। প্রতিভা আছে, নিয়মিত গোল করেন বাংলাদেশ দলের হয়ে।
এর বাইরে পজিশনিং, শটেও দুর্দান্ত। যে কারণে বাংলাদেশের গন্ডি পেরিয়ে ফুটবল বিশ্বের নজর পড়েন মোরসালিন। এর আগে পর্তুগাল ও বেলজিয়ামের ক্লাব তাকে ঘিরে করে স্কাউটিং। তবে এবার অনেকটা চুড়ান্ত তার ইউরোপের যাত্রা।
মোরসালিনের এবার গন্তব্য হতে পারে ইউরোপের দল জর্জিয়া৷ জর্জিয়ার টপ লীগ ইরুভনীলা লীগাতে দেখা যেতে পারে তাকে।
হঠাৎ করে এমন গুঞ্জনের কারণ দুই পক্ষের এজেন্সির যোগাযোগ
জর্জিয়ান টপ এজেন্সি বিপ্রোজিও৷ সেই বি প্রো জিও এবার নিজেরাই মোরসালিনকে ফলো করা শুরু করা দিয়েছে।
একই সাথে বাংলাদেশে মোরসালিনের এজেন্সি হিসেবে কাজ করেন বিনয় দাস৷ সেই বিনয় দাসকেও ফলো করা শুরু করেছে এই এজেন্সি। অর্থ্যাৎ মোরসালিন ও তার এজেন্টের সাথে ইউরোপের টপ এজেন্ট যোগাযোগ যে শুরু করেছেন, সেটা নিশ্চিত।
কিন্ত এই যোগাযোগ মোটেও একপক্ষিক নয়। কেননা বিনয় দাসের পক্ষ থেকেও দেওয়া হয়েছে বার্তা।
সেখানে নিজে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বার্তা দেন বিনয়। যেখানে তিনি লেখেন মোরসালিনকে নিয়ে বড় এক বার্তা আসছে। আর সে বার্তা যে আসছে বিপ্রোজিও এর হাত ধরে, সেটা অনুমান করাই যায়।
অর্থ্যাৎ যদি দুই পক্ষের আলোচনা সফল হয়, তবে জর্জিয়ান লীগে দেখা যেতে পারে বাংলাদেশের তারকাকে।
যদিও চুড়ান্ত হয়নি কোন কিছু, তবে সম্ভাবনা যেন সেদিকেই যায়। আর সেটা হলে প্রথম বাংলাদেশের খেলোয়াড় হিসেবে ইউরোপের লীগে খেলবেন মোরসালিন। অর্থ্যাৎ বাংলাদেশ থেকে উঠে এসে জাতীয় দলে খেলা প্রথম কোন খেলোয়াড় যিনি খেলবেন ইউরোপের ক্লাবে।
এর আগে আমিনুল, মোনায়েম মুন্নাদের ইউরোপে খেলার প্রতিভা ছিল, সুযোগও এসেছিল। তবে যোগাযোগের ব্যার্থতায় খেলা হয়নি। এবার সেখানে ঘাটতি রাখতে চাইবেন না মোরসালিন
সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে উপকৃত হবেন মোরসালিন, উপকৃত হবে বাংলাদেশ ফুটবল। বাংলাদেশের ফুটবলে খুলে যাবে নতুন দিগন্ত।




