মাঠের পারফর্মেঞ্চ নিয়ে আছে আলোচনা, মাঠের বাইরেও অনেক ইস্যুতে আলোচিত সমালোচিত ভিনিসিয়াস জুনিয়ার।
এই মৌসুমে তার থেকে পাওয়া যাচ্ছেনা সেরাটা৷ এর বাইরে কোচের সাথেও দ্বন্ধের কথা শোনা গিয়েছে। অনেক ম্যাচে তো নিজের ক্ষোভ ছেড়েছেন সরাসরি বদলি হওয়া নিয়ে। এর বাইরেও কোচের সাথে তার স্নায়ুযুদ্ধের আলাপ শোনা গিয়েছে বারবার।
আর সেখানে প্রশ্ন ছিল, তবে কি ক্লাব ছাড়বেন ভিনি? দলের মেইনম্যান নন তিনি, তাকে ঘিরে নয় প্লান।
এর বাইরে একই পজিশনে রদ্রিগো খেলেন। ফলে রদ্রিগোকে সময় দিতে হলে ভিনিকে খেলানো যায়না পুর্ণ সময়। এর সাথে ছিল চুক্তি নিয়ে বনিবানা না হওয়া৷ সব মিলিয়ে মনে হচ্ছিল, ক্লাব ছাড়া হয়ত সময়ের ব্যাপার ভিনিসিয়াসের জন্য।
কিন্ত এবার যেন ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গেলো চিত্র। কেননা এবার ভিনিসিয়াস যে পাশে পেয়েছেন নিজেদের ক্লাবের প্রেসিডেন্টকে।
বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাধর ক্লাব প্রেসিডেন্ট বলা হয় রিয়াল মাদ্রিদের প্রেসিডেন্ট ফ্লোরিন্তিনা পেরেজকে।
দলের ম্যানেজার বা অন্যান্য স্টাফের চেয়ে পেরেজের থাকে সর্বোত্তম ক্ষমতা। এমনকি ট্রান্সফারমার্কেটে খেলোয়াড় ক্রয় বিক্রয়ে তিনিই রাখেন বড় ভুমিকা।
সেই পেরেজ কোনভাবেই চাচ্ছেন না রিয়াল মাদ্রিদ ত্যাগ করুক ভিনিসিয়াস। মার্কেটে যত বড় খেলোয়াড়ই থাকুক না কেন, ভিনির বিকল্প হিসেবে কাউকে বিবেচনা করছেননা তিনি।
যে কারণে ভিনির কাছে এখনও তিনি রেখেছেন চুক্তি নবায়নের প্রস্তাব। অপরদিকে কোচ জাভি আলান্সোকে বলা হয়েছিল ড্রেসিংরুমের সমস্যা মেটাতে।
যদিও নিজের চুক্তি এখনও নবায়ন করেননি ভিনিসিয়াস জুনিয়ার। শোনা যাচ্ছে বিশ্বকাপের আগে চুক্তি নবায়ন করবেন না ভিনি। বিশ্বকাপের পর আগামী গ্রীষ্মে নিজের চুক্তি নবায়ন নিয়ে ভাববেন তিনি।
বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাধর প্রেসিডেন্টকে নিজের পাশে পাওয়া সহজ কথা নয়। এর আগে রোনালদোর মত রিয়াল মাদ্রিদ লিজেন্ডকে বেতন ইস্যুর জন্য সমর্থন দেননি পেরেজ।
এছাড়া অনেক বড় বড় খেলোয়াড়কেও বিদায় নিতে তিনি আটকাননি। সেই পেরেজ সমর্থন দিচ্ছেন ভিনিকে। এমবাপ্পে দলের মেইনম্যান হবার পরও এতদিন সার্ভিস দেওয়া ভিনিকে আনটাচেবল করে রেখেছেন। অর্থ্যাৎ ভিনির থেকে তার প্রত্যাশার পারদটাও অনেক উচু।
আগামী দিনে মাঠের খেলায় আরো মনযোগ দিয়ে সেই প্রত্যাশা পুরণ করার কাজটাই করতে হবে ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার ভিনিকে।




