ভাঙাচোরা দল নিয়েও শুরুর ম্যাচে নোয়াখালীকে বড় ব্যাবধানে হারিয়ে দেয় চট্টগ্রাম রয়েলস। এরপর একে একে অনেক বিদেশী ভেড়ায় তারা।
যদিও এখনও আসেননি অনেকে, তবে আগের ম্যাচের চেয়ে এ ম্যাচে বাড়ে বিদেশীর সংখ্যা। জ্বলে যোগ দেন উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান এডাম রসিংটন। তাতে অবশ্য কাজের কাজ হয়নি চট্টগ্রামের। উলটো এবার অল্প রানের লজ্জা পোহাতে হয় তাদের।
চট্টগ্রামের ১ কোটি টাকার নাইম শেখ এদিন জ্বলে উঠেন, কিন্ত তার সাথে পারফর্ম করতে পারেননি আর কোন ক্রিকেটার।
ওপেনিংএ নেমে ২০ বলে ৩৯ রান করেন নাইম। যে কারণে শুরুর ৫ অভারে ৪৫ রান করে চট্টগ্রাম, যার ৩৯ করেন নাইম।
তবে ফিজের বলে এই ওপেনার বোল্ড হলে থেমে যায় রানের গতি। এর আগে নাহিদের শুরুর অভারেই আউট হন এ ম্যাচে খেলতে নামা ইংলিশ ওপেনার রসিংটন।
৫ম ও ৬ষ্ঠ অভারে ফিরে যান দেশী দুই ব্যাটার মাহমুদুল হাসান জয় ও মাহফিজুল রবিন। আলিস আল ইসলামের স্পিনে কাটা পড়েন জয়, ফিরে যান রান করার আগেই৷ ৬ বলে ১ রান করেন মাহফিজুল রবিন, তাকে দিয়েই উইকেট শিকারের কাজ শুরু করেন পাকিস্তানি পেসার ফাহিম আশরাফ।
এরপর একে একে ফাহিমের হাতে কাটা পড়েন মাসুদ গুরবাজ, শেখ মাহেদী, শরীফুল ইসলাম ও আবু হায়দার রনি।
আগের ম্যাচে ৮০+ করা মির্যা তাহির বেগকে ২০ রানে ফেরান মুস্তাফিজুর রহমান। নাইম শেখ ছাড়া এদিন সবাই ব্যাটিং করেন ১০০ এর কম স্ট্রাইক রেটে। আর তাতেই অল্প রানে থামে চট্টগ্রাম এর ইনিংস।
১৭.৫ অভার খেলে ১০২ রানে অলআউট চট্টলার দলটি।
জবাব দিতে নেমে ইংলিশ ডেভিড মালান ও বাংলাদেশের লিটন দাসের ব্যাটেই এগিয়ে যায় রংপুর রাইডার্স।
দুই ওপেনার শুরু থেকেই রান রেটের চেয়ে দ্রুতগতিতে রান করছিলেন। মালান শুরুতে ধীরে খেললেও পরে সেটাকে পুষিয়ে দেন। অপরদিকে লিটন শুরু থেকেই বাউন্ডারি নির্ভর আগ্রাসী ব্যাটিং করে। এই দুইজনের ইনিংসে সাবলীলভাবেই লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যায় রংপুর রাইডার্স।
আগের দিন নোয়াখালীকে অল্প রানে গুটিয়ে দিলেও এদিন রংপুরের ব্যাটারদের তেমন কোন পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি চট্টগ্রাম দল।
আর তাতেই অনেক অভার ও উইকেট হাতে রেখেই সহজ জয় পায় রংপুর দল।
বিপিএলের প্রথম ম্যাচেই জয় তুলে নিজেদের শক্তিমত্তা আবারো জানান দিলো রংপুর। আর ম্যাচ হেরে ব্যাকফুটে চলে গেলো চট্টগ্রাম। এ ম্যাচে স্পষ্টতই ফুটে উঠে তাদের স্কোয়াডের দুর্বলতা, যা আগামী দিনে শীঘ্রিই পুরণের চেষ্টা করবে তারা।




