ইউরোপের জল হাওয়ায় বড় হয়েছেন। ইউরোপীয়ান হিসেবেই লেগে আছে তকমা। ইউরোপিয়ান ক্রিস্টান ধর্মাবলম্বী রোনালদো, সেইরকম জীবনযাপনই করেছেন সারাজীবন।
তবে সৌদি আরবে এসেই যেন বদলে যান রোনালদো। যে কারণে এখন লক্ষ্যের কথা বলতেও বলেন ইনশাল্লাহ।
সাম্প্রতিক সময়ে গ্লোব সকার এওয়ার্ডে এই কথা বলেন রোনালদো। সেখানে সেরা মিডল ইস্টের খেলোয়াড় নির্বাচিত করা রোনালদো।
এরপরই পুরষ্কার নিতে এসে সবার সাথে কথা বলেন রোনালদো। এই বয়সেও ফুটবল খেলা কঠিন কাজ, এমনটা বলেন তিনি।
ইউরোপ বা আরব, সবখানেই ফুটবল কঠিন হিসেবে জানান তিনি।
একই সাথে সেখানে নিজের লক্ষ্যের কথা জানান তিনি। কোন ইঞ্জুরি ছাড়া ১ হাজার গোল করতে চান রোনালদো।
এর বাইরে আগামী দিনে অনেক ট্রফিও জয় করতে চাওয়ার কথা জানান রোনালদো। তবে এই লক্ষ্য পুরণের পথেই বলেন ইনশাল্লাহ এর কথা। অর্থ্যাৎ লক্ষ্য পুরণে তিনি আল্লাহ এর উপর ভরসা করে মুসলিমরা যা বলেন, সেটাই বলেন রোনালদো।
গ্লোব সকার এওয়ার্ড জয়ের পর রোনালদো বলেন “ খেলা চালিয়ে যাওয়া কঠিন, তবে আমি এখনও বেশ অনুপ্রাণিত।
আরও অনেক শিরোপা জিততে চাই। মধ্য প্রাচ্যে খেলছি নাকি ইউরোপে বা কোথায়, এটা কোনো ব্যাপার নয়।। আমি সবসময় ফুটবল খেলতে উপভোগ করি এবং সামনে ছুটতে চাই।”
রোনালদো আরো বলেন “আপনারা জানেন আমার লক্ষ্য কোনটি। আমি ট্রফি জিততে চাই এবং সেই সংখ্যাটিতে অর্থ্যাৎ ১ হাজার গোলে পৌঁছেতে চাই, যেটির কথা আপনারা সবাই জানেন।
সেই মাইলফলকে “ইনশাল্লাহ” আমি পৌঁছব, যদি ইঞ্জুরি বা কোন সমস্যা না হয় ”
রোনালদোর এমন মন্তব্যের পর অবশ্য ইনশাল্লাহ শব্দ নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। অনেক গণমাধ্যম এ বিষয় নিয়েই আলাদা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
সেখানে কেউ বলেছেন রোনালদো কি মুসলিম হয়ে গেছেন? অনেকে আবার বলেছেন ইনশাল্লাহ জরুরী। আবার অনেকে হাস্যরসভাবে বলেছেন ইনশাল্লাহ বললে বোনাস পাবেন রোনালদো।
তবে যেটাই হোক, রোনালদোর এই বারবার ইনশাল্লাহ বলা যেন মুসলিম সংস্কৃতিকেই তুলে ধরে।
এর আগেও এক বক্সারকে শুভকামনা জানিয়ে ইনশাল্লাহ বলেন তিনি, ইনশাল্লাহ বলেন নানান সময়।
রোনালদোর থেকে ইসলামের সংস্কৃতি প্রচার সারাবিশ্বেই মুসলিমদের প্রতি বদলাতে পারে দৃষ্টিভঙ্গি। আর রোনালদো হেটার্স হলেও একজন মুসলিম এইদিকে রোনালদোকে পছন্দ করতে বাধ্য থাকবেন।




