এক ওভারে ২৭ প্রয়োজন, আর সেই ম্যাচে কিনা মোহাম্মদ আমিরের মতো বোলারকে ভয়ে ঘামতে বাধ্য করলেন শামীম পাটওয়ারী।
শেষ দুই ওভারে ঢাকার দরকার ছিল ৪৫ রানের।
ওমরজাইয়ের ১৯তম ওভারের প্রথম দুই বলে চার ও ছক্কা মারেন শামীম। ওই ওভারে ১৮ রান আসার পর শেষ ৬ বলে ঢাকার সমীকরণ দাঁড়ায় ২৭ রানের।
প্রায় অসম্ভব সেই সমীকরণটাও প্রায় মিলিয়েই ফেলেছিলেন শামীম। মোহাম্মদ আমির প্রথম বলে চার হজম করার পর দেন ওয়াইড ও নো। ফ্রি হিটে শামীম মারেন ছক্কা।
পরের তিন বলে আরও দুটি চারে শেষ বলে ৭ রানের সমীকরণ দাঁড়ায়। কিন্তু সেটি আর মারতে পারেননি শামীম। তবে ৯ চার ও ৩ ছক্কায় ৪৩ বলে ৮১ রানের ঝোড়ো ইনিংসের পর অপরাজিত থাকেন তিনি।
ম্যাচ শেষে ধন্যবাদ জানান লিটনকে।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে শামীম বলেন, ‘শুরুতে আমি লিটন ভাইকে ধন্যবাদ দিব।
উনি আমার উপর অনেক বিশ্বাস রেখেছে। কারণ এর আগে আমি ম্যাচ উইনিং নক খেলিছি।
২-৩ ম্যাচ খারাপ যেতেই পারে, এটা কোনো ব্যাপার না। যদি সবাই সাপোর্ট দেয় ভালোভাবে কামব্যাক করা যায় সহজেই।’
শামীম আরও বলেন, ‘অবশ্যই আমি আমার ফোকাসে ছিলাম। আমার মত করে ছিলাম, অনুশীলন করেছি।
বিশ্বকাপ নিয়ে এখন চিন্তা করছি না। এখানে ভালো টুর্নামেন্ট খেলছি। চেষ্টা করছি এখানে ভালো করে বিশ্বকাপের জন্য যদি সুযোগ পাই, ভালো প্রস্তুতি হবে আমার জন্য।”
অবশ্য এই এক ইনিংসে নিজের বিশ্বকাপ জায়গাই অনেকটা নিশ্চিত করেছেন শামীম হোসেন পাটওয়ারী।




