ইঞ্জুরি থেকে প্রত্যাবর্তন হয়েছে সর্বশেষ ম্যাচে। আর সেখানেই ফিরে আদায় করেছেন গোল।
সেটপিসে আর্সেনাল শক্তিশালী। তবে শক্তির বড় উৎস ব্রাজিলিয়ান সেন্টার ব্যাক গ্যাব্রিয়েল মেঘালাস।
সেই সেট পিস থেকেই আগের ম্যাচে গোল করলেন, বোকা বানালেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। এবার তার পরের ম্যাচেই আবারো করলেন গোল।
বোর্নমাউথের বিপক্ষে এদিন ম্যাচের শুরুতেই ভুল করে বসেছিলেন মেঘালাস।
১০ মিনিটে তার ভুল পাসে বল পান বোর্নমাউথের এভানিলসন। স্বদেশী মেঘালাসের থেকে বল পেয়ে ঠান্ডা মাথায় ফিনিশ করেন তিনি, দলকে এগিয়ে নিয়ে যান।
তবে এওয়ে ম্যাচে ঘাবড়ে যাননি মেঘালাস। এরপর ৫ মিনিটের মাথায় নিজের ভুলের শোধ করেন নিজে।
ডেক্লাইন রাইসের করা সেট পিসে বল পান উইঙার ননী মাদুকেকে। সেই বল থেকে ভিতরে পাস দেন তিনি। এরপর সেখানে অনেকবার বল ক্লিয়ার হলেও শেষ পর্যন্ত চলে যায় গ্যাব্রিয়েলের কাছে। আর সেখানেই গোল করেন এই ডিফেন্ডার, দলকে এনে দেন সমতা।
শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে গানার্সরা। এই মৌসুমে এর মাঝে ৪ গোল হয়ে গেছে বিগ গ্যাবির।
লীগে এর মাঝে করেছেন ৫ গোল এসিস্ট, ৩ গোলের সাথে আছে ২ এসিস্ট। সব ধরণের আসর মিলিয়ে আর্সেনালের জার্সিতে গ্যাব্রিয়েলের গোল ২০ টি৷
সেন্টার ব্যাকদের মাঝে তার থেকে ইপিএলে বেশি গোল এবার করেনি কেউ। এমনকি ডুয়েলস জয়, পাসিংএ তিনি অনবদ্য। এরিয়ালে কতটা দারুণ তার প্রমাণ মেলে নিয়মিত। একইসাথে গ্রাউন্ডেও মেঘালাস ছাড়িয়ে যাচ্ছেন নিজেকে।
ক্লাবের ফর্ম জাতীয় দলেও এনেছেন মেঘালাস। যে কারণে মার্কুইনহস, মিলিতাওরা থাকলেও তিনিই থাকেন একাদশের নিয়মিত পছন্দ।
ব্রাজিল দল আগামী দিনে তার উপর চেয়ে থাকবে ভালো করেই। কেননা বড় আসর জিততে হলেও ডিফেন্ডারদের পারফর্মেঞ্চের বিকল্প নেই।
বড় ম্যাচে গোলবন্যা হয়না, সেখানে যাদের ডিফেন্স শক্তিশালী তারাই থাকেন এগিয়ে। আর্সেনাল দলে সেই দায়িত্ব পালন করছেন মেঘালাস, এবার জাতীয় দলে করার পালা।
অবশ্য ডিফেন্স নিয়ে মেঘালাসকে মুল্যয়ন করা যায়না, তিনি তো অলরাউন্ডার। হলুদ জার্সিতে তার অলরাউন্ড পারফর্মেঞ্চ সোনালী শিরোপার স্বপ্ন দেখাবে ব্রাজিলকে। আগামী দিনেও অব্যাহত থাকুক বিগ গ্যাবির এমন ফর্ম, এমনটাই চাওয়া সবার।




