মেসি, মারিয়ারা অগ্রগামি পারফর্মেঞ্চ করেছেন। এমি মার্টিনেজ নিজের সেরাটা দিয়েছেন।
কিন্ত ২০২২ বিশ্বকাপ জয়ে সবচেয়ে বেশি ভুমিকা রাখেন তরুণরা। সেই সময়ের তরুণ ফুটবলার হুলিয়ান আলভারেজ, এঞ্জো ফার্নান্দেজ, এলেক্সিস ম্যাক এলিস্টারদের পারফর্মেঞ্চ আর্জেন্টিনাকে এনে দেয় বিশ্বকাপ। সময়ের সাথে সাথে তারা আজ পরিণত।
কিন্ত এবারো বিশ্বকাপ জয়ে তরুণদের দিকেই চেয়ে থাকবে আর্জেন্টিনা দল। বিশেষ করে আলভিসেলেস্তা সমর্থকদের চোখ থাকবে ৫ তরুণের উপর।
যেখানে সবচেয়ে বড় নাম হবেন নিকো পাজ। ইতালিয়ান সিরিআ তে সর্বোচ্চ এসিস্ট তার, সর্বোচ্চ গোল এসিস্ট তার।
গোলের দিক থেকে আছেন দুই নাম্বারে। দলের অধিনায়ক, পাসিং, ড্রিবলিং, ট্যাকেল সবদিকেই দক্ষ তিনি। এই আসরে মাঝমাঠে সুযোগ পেলে পাজ হতে পারেম প্রতিপক্ষের আতঙ্কের নাম। এঞ্জোর মত ব্রেকাউট পারফর্মেঞ্চ দিলেও অবাক হবার থাকবেনা।
পাজের মত নজর থাকবে ফ্রাংকো মাস্তানতুনহোর দিকে। রিয়াল মাদ্রিদের মক্ত ক্লাবে খেলেন মাস্তান, সেখানেও শুরুর একাদশে থাকেন নিয়মিত।
ফ্রিকিক, গতি দিয়ে নজরে এসেছেন, আক্রমণ ও ডিফেন্সের ভারসাম্য করতে পারেন। একদিকের উইঙে মেসি থাকলে অন্যদিকে ভারসাম্য দিবেন মাস্তান।
এর মধ্যে জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছেন, বিশ্বকাপ খেলারও আছেন দৌড়ে। নিসন্দেহে মাস্তান হতে পারেন সেরা পাচ তরুণের একজন।
এই পাচজনের মাঝে আলমাদার দিকে সবার থাকবে আলাদা নজর। সে নজর রাখার মত কাজ করেছেন এই মিডফিল্ডার।
আর্জেন্টিনার হয়ে শেষ ৭ ম্যাচে ৩ গোল করেছেন। বিভিন্ন পজিশনে সুযোগ পেয়েছেন, সেই সুযোগটা কাজে লাগিয়েছেন দুই হাত ধরে।
অনেকে তাকে মনে করেন আর্জেন্টিনার আগামী দিনের নাম্বার টেন। নিসন্দেহে নিজেকে প্রমাণ করার মঞ্চই থাকবে আলমাদার সামনে।
লেফট ব্যাক সমস্যার জন্য বার্কো হতে পারেন দারুণ পছন্দ। এর বাইরে ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবেও খেলতে পারেন তিনি।
মৌসুমে লীগে ১৫ ম্যাচে ৫ গোল এসিস্ট করেন। সব আসর মিলিয়ে গোল এসিস্ট ৭ টি। একাধিক পজিশনের ব্যাকাপ তিনি, আছেন ফর্মে। নিসন্দেহে তাকে ঘিরেও আলাদা প্রত্যাশা থাকবে ভক্তদের।
অনেকদিন দলে নেই, ক্লাবেও ছিলেন না নিয়মিত। তবে লেফট উইঙ্গার আলেহান্দ্রো গার্নাচোকে নিয়ে প্রত্যাশা থাকবে নিয়মিতই। আর্জেন্টিনার এই সময়ের সবচেয়ে প্রতিভাবান উইঙ্গার। চেলসিতে এসে করেছেন ৭ গোল এসিস্ট। গার্নাচো কি করতে পারেন নিজের দিনে সবার অবগত। শুধু সেটাই বিশ্বকাপে মেলে ধরার পালা তার।
পুরাতনদের ও পরীক্ষিতদের নিয়ে আশা থাকবে, তবে তরুণদের দিকেও থাকবে চোখ। এই দুইয়ের সমন্বয় আনবে টানা দুই বিশ্বকাপ।




