ফুটবলে কোটি মানুষের আইকন তিনি। ফুটবলারের বাইরে তিনি একজন রোল মডেল সবার। যে কারণে তার দিকে আগ্রহ থাকে বড় বড় প্রতিষ্ঠানের।
এর বাইরে মানুষ হিসেবেও নেইমার প্রচন্ড শৌখিন। নেইমির সেই শৌখিনতা ছুয়েছে তার গ্যারেজের ক্ষেত্রেও। সেখানেও বিলাশিতার ছাপ নেইমির। যার মুল্য প্রায় ৮০০ কোটি টাকার অধিক।
যেখানে সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ব্যাটমোবাইল টাম্বলার। নেইমারের গ্যারেজে রয়েছে প্রায় ১.৫ মিলিয়ন ডলারের একটি ব্যাটমোবাইল টাম্বলার।
যা বাংলাদেশের টাকায় প্রায় ২০০ কোটি টাকা। সিনেমার পর্দায় প্রায় দেখা এই বিশেষ যানটি। বাস্তব জীবনেও এটি বানানো হয়েছে সীমিত সংখ্যায়।
সামরিক ধাঁচের নকশা, শক্তিশালী বডি আর অত্যাধুনিক প্রযুক্তির কারণে এটি সাধারণ গাড়ির চেয়ে অনেক বেশি আকর্ষণীয়। একজন তারকার সংগ্রহে এমন একটি যান থাকা মানে প্রমাণ করে ব্যতিক্রমী রুচির পরিচয়।
এছাড়া তালিকায় আছে ১৪.৫ মিলিয়ন ডলারের ম্যাসিডিজ বেঞ্জ এইচ ১৪৫ হেলিকপ্টার। ব্যক্তিগত হেলিকপ্টার থাকা বিশ্বমানের ক্রীড়াবিদদের মধ্যে নতুন কিছু নয়. তবে এই মডেলটি বিশেষভাবে জনপ্রিয় এর আরাম, নিরাপত্তা এবং দ্রুতগতির জন্য।
ভিআইপি কেবিন, উন্নত ন্যাভিগেশন সিস্টেম ও বিলাসবহুল ইন্টেরিয়র এটিকে আকাশপথের রাজকীয় বাহনে পরিণত করেছে। যা নেইমারকে নিয়ে গেছে বিলাশবহুলের তালিকায়।
নেইমারের সংগ্রহে আছে মিলিয়ন ডলারের দাসো ফ্যালকন ৯০০ এলএক্স প্রাইভেট জেট ন। এই জেটটি বিশ্বের অভিজাত ব্যবসায়ী ও সেলিব্রিটিদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে থাকে।
দীর্ঘপথে ভ্রমণের সুবিধা, নীরব কেবিন, বিলাসী আসনব্যবস্থা এবং অত্যাধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তির কারণে এটি আকাশযাত্রার একেবারে আলাদা মানদণ্ড স্থাপন করেছে।
এ সম্পদগুলোর সার্বিক মুল্যের পরিমাণ হবে কয়েকশো কোটি টাকার অধিক। বাংলাদেশের টাকায় যা দাঁড়াবে ৮০০ কোটির টাকার অধিক, আরো বিশেষভাবে ৮০৪ কোটি টাকা। নেইমার যে বিশ্বের অন্যতম ধনী ফুটবলার, এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।
ক্লাব ফুটবল, জাতীয় দল, স্পনসরশিপ, বিজ্ঞাপন ও ব্র্যান্ড পার্টনারশিপ থেকে তার আয় বিপুল। আর একইসাথে মানুষ নেইমারও শৌখিন। সেই শৌখিনতার প্রমাণ পাওয়া গেলো গ্যারেজের ক্ষেত্রেও।




