বয়স মাত্র ১৮, এই বয়সেই ফুটবল স্কিল দিয়ে সারাবিশ্বে আলোড়ন তৈরি করেছেন। তার বয়সীদের মাঝে তিনিই সবচেয়ে বড় সুপারস্টার।
আবার অনেকে তাকে মনে করেন আগামী দিনের মেসি বা আগামী দিনের নেইমার। লামিন ইয়ামালের প্রতিভা ও পারফর্মেঞ্চ কোনটারই কমতি নেই। তবে এইসবের বাইরেও লামিনের জন্য আলোচনা করার কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
আর সেটা তার ধর্মপালন। নিজ ধর্মের প্রতি অনুগত লামিন, অন্তত অনেক রীতিনীতি পালনের চেষ্টা করেন। আর সেখানে এবার মসজিদ নিয়ে সুন্দর মন্তব্য করলেন এই স্প্যানিশ ফুটবলার।
সেখানে মসজিদকে শান্তির জায়গা হিসেবে উল্লেখ করেন এই রাইট উইঙ্গার। মসজিদে গেলে শান্তি অনুভব করেন তিনি, এমনটাই উল্লেখ করেন তিনি।
এই শান্তি যে শুধু মুসলিমদের জন্য নয়, এমনটাও জানান ইয়ামাল। তবে একজন মুসলিম হওয়ার জন্য বিশেষভাবে এই শান্তির কথাও জানান এই বার্সা তারকা।
এ নিয়ে সংবাদমাধ্যমে লামিন বলেন “ মসজিদে গেলে শান্তি অনুভব হয়। আপনি যে ধর্মের হন না কেন, মসজিদ আপনাকে শান্তি দিবেই। এবং আমাদের জন্য যারা মুসলিম ধর্মাবলম্বী, তাদেরকে মসজিদ আরো বিশেষভাবে শান্তি দেয়”
এর আগেও নানা সময় লামিনের ইসলাম ধর্ম পালনের দৃষ্টান্ত দেখা গিয়েছে। রমাদান মাসে লামিন ইয়ামাল নিয়মিত রোজা রেখেছেন। এমনকি রোজা রেখে অনুশীলন করেছেন, খেলায়ও ছিলেন মনযোগী। অন্যরা যখন অনুশীলনের ফাকে পানি পান করত, লামিন তখন আলাদা অনুশীলন করত। এছাড়া তার ইফতারের ছিল আলাদা ব্যাবস্থা।
বার্সেলোনা বোর্ডও তার ধর্ম পালনে সাহায্য করেছে। রমাদান মাসেও সে যাতে রোজা রেখে ফিট থাকতে পারে, সে জন্য তার ডায়েট চার্ট তৈরি করেছিল আলাদা।
এর বাইরেও নানা সময় ইসলামিক আদেশ অনুসরণের চেষ্টা করেন লামিন। এবার তো মুসলিমদের ইবাদতের ঘর নিয়ে অপুর্ব মন্তব্য করে সবার নজর কাড়লেন ইয়ামাল।
ইয়ামালের এই মন্তব্য মুসলিম অনেক ইউরোপীয়ান উঠতি ফুটবলারকে উৎসাহ দেবে।
একইসাথে তার মত তারকার মন্তব্যে ইউরোপীয়ানদের অনেক ক্ষেত্রে মুসলিমদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনে সাহায্য করবে।
আর তাতে আগামী দিনে ফুটবলের আইডল তো হতেই পারেন ইয়ামাল,একই সাথে হতে পারেন মুসলিম ফুটবলারদের বেঞ্চমার্ক।




