ইংরেজীতে একটা কথা প্রচলিত আছে, “leave the world before the world leaves you”।
কখনও মরার আগে মরতে হয়না, কখনও নিজেকে সরিয়ে নেবার আগে নিজের মুল্য ফুরিয়ে যেতে দিতে হয়না। আর সেই কাজটাই পূঙ্খানুপুঙ্খ করছেন ব্রাজিলের মিডফিল্ডার ক্যাসিমিরো।
কিছুদিন আগে ক্লাব ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্ত ইউনাইটেড ছাড়ার আগে বুঝিয়ে যাচ্ছেন নিজের সক্ষমতা।
হয়ত ইউরোপই ছাড়বেন ক্যাসে, কিন্ত এখনও যে শীর্ষ পর্যায়ের একজন খেলোয়াড় তিনি, সেটারই রাখছেন ছাপ। আর তাই ফুলহ্যামের বিপক্ষেও জয় ম্যানচেষ্টার ইউনাইটেডের, গোল এসিস্ট করে ম্যাচের নায়ক ক্যাসে।
১৯ মিনিটে দলের হয়ে প্রথম গোল করেন ক্যাসিমিরো। এবার হেডে বল জালে জড়ান এই ব্রাজিলিয়ান তারকা।
আর তাতেই শুরুতে এগিয়ে যায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। এরপর ৫৬ মিনিটে স্বদেশী কুনহাকে দিয়ে করান আরো এক গোল।
এবার অনেকটা নু লুক পাসে বল বাড়ান এটাকিং মিডফিল্ডার কুনহার দিকে। ক্যাসের কাজ থেকে বল পেয়ে গোল করতে ভুলেননি কুনহা, তার ডান পায়ের শট জালে গেলে আবারো এগিয়ে যায় ইউনাইটেড দল। শেষ পর্যন্ত নাটকীয় ম্যাচ তারা জিতে ৩-২ গোলে। আর সেখানে ক্যাসিমিরো গোল এসিস্ট করে হয়ে যান ম্যাচের নায়ক।
এর আগে ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে ম্যাচেও হয়েছিলেন নায়ক। এই দুই ম্যাচেই তার জোটে ম্যান অফ দ্যা ম্যাচের পুরষ্কার।
২-০ গোলের জয়ের ম্যাচের দিন ডিফেন্স ও এট্যাক দুই জায়গায়ই তিনি ছিলেন সমান কার্যকর। নতুন কোচের অধীনে ৩ ম্যাচে ৩ জয় ইউনাইটেডের, যার দুটাতেই ম্যাচসেরা ক্যাসিমিরো হেনরিক।
লীগে ২২ ম্যাচে ৭ গোল এসিস্ট, ৫ গোলের সাথে ২ এসিস্ট। ক্যাসের গড় রেটিং ৭.৩।লং বল, চাঞ্চ ক্রিয়েট, ডুয়েলস, ডিফেন্স সবখানেই টপ নচ।
এই ক্যাসেকেই নিজের দলে সবার আগে ফিরিয়েছেন কার্লো আনচেলত্তি, ফিরিয়ে এনেছেন ব্রাজিল দলের সাম্যবস্থা।
যে কারণে এই ক্যাসিমিরোর উপর ভরসা ব্রাজিল দলের। নেইমার সিলভারা না থাকলে ক্যাসেই হবেন দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ মুখ৷ এবার দেখা যাক, আগামী বিশ্বকাপে এই পারফর্মেঞ্চ ও অভিজ্ঞতার মর্যাদা রাখতে পারেন কিনা তিনি।




