Homeফুটবলমাঝমাঠে ব্রাজিলের সংকট, তবুও কেন অবহেলিত এই ৩ খেলোয়াড়?

মাঝমাঠে ব্রাজিলের সংকট, তবুও কেন অবহেলিত এই ৩ খেলোয়াড়?

- Advertisement -spot_img

এক সময় যা ছিল দলের সবচেয়ে শক্তিশালী জায়গা, এখন যেন সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার কারণ।

জিকো, গারিঞ্চা, কাকার মত ফুটবলাররা ছিলেন ব্রাজিলের মাঝমাঠে, সেই মাঝমাঠেই যেন বছরের পর বছর খাবি খাচ্ছে ব্রাজিল দল। কার্লো আনচেলত্তিকে দিয়ে ভক্তরা করেছিল প্রত্যাশা, তবে তিনিও মাঝমাঠকে রাখছেন অবহেলার দৃষ্টিতেই।

ডিফেন্স থেকে আক্রমণে বল ট্রানজিশন, ম্যাচের রিদম ধরে রাখা কিংবা প্রতিপক্ষের চাপ সামলানো, সব জায়গাতেই মাঝমাঠে ঘাটতি স্পষ্ট। অথচ এই সমস্যার সমাধান হতে পারতেন তিনজন পারফর্মার, যারা ক্লাব পর্যায়ে ধারাবাহিকভাবে ভালো খেললেও জাতীয় দলে পান না যথাযথ মূল্যায়ন।

প্রথমেই আসা যাক এডারসনের কথায়। ইতালির সিরিআ এর ক্লাব আটলান্টায় খেলা এই মিডফিল্ডার আধুনিক ফুটবলের জন্য আদর্শ এক “বক্স-টু-বক্স” প্লেয়ার।

রক্ষণে অবদান রাখা থেকে শুরু করে আক্রমণে উঠে যাওয়া, দুই দিকেই সমান কার্যকর তিনি।

শক্তিশালী শারীরিক সক্ষমতা, বল কন্ট্রোল এবং প্রেসিং, সব মিলিয়ে তিনি মাঝমাঠে ভারসাম্য এনে দিতে পারেন সহজেই। ব্রুনো বা ক্যাসিমিরো, দুইজনেরই হতে পারেন আদর্শ বিকল্প। কিন্তু ব্রাজিল দলে তার সুযোগ পাওয়া সীমিত। কোচের পরিকল্পনায় বারবার উপেক্ষিত হওয়ায় তার মতো খেলোয়াড় জাতীয় দলের সংকট মেটানোর সুযোগই পাচ্ছেন না।

তালিকার দুই নাম্বারে থাকবেন গার্সন। ব্রাজিলিয়ান লিগে ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করা এক নির্ভরযোগ্য মিডফিল্ডার। কোচ ডরিভাল ব্যার্থ হলেও তার সময় ধারাবাহিক ছিলেন ফ্ল্যামেঙ্গোর এই মিডফিল্ডার।

গার্সন ব্রাজিল দলে দেখিয়েছেন কীভাবে ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। তার পাসিং রেঞ্জ, খেলার বুদ্ধিমত্তা এবং পজিশনিং ব্রাজিলের মাঝমাঠে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। তিনি বল ধরে রাখতে পারেন, আবার প্রয়োজন হলে আক্রমণে দ্রুত ট্রানজিশনও তৈরি করতে পারেন। মাঝে রাশিয়ান লীগে গিয়ে আবারো ব্রাজিলের লীগে ফিরেছেন গার্সন, এবার দেখা যাক তিনি আবারো ফিরতে পারেন কিনা জাতীয় দলে।

সবশেষে আছেন আন্দ্রেস পেরেইরা। সাবেক ফুলহ্যাম এফসি এর এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার প্রিমিয়ার লিগে নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন বারবার। ক্রিয়েটিভিটি, সেট-পিস দক্ষতা এবং আক্রমণভাগে সুযোগ তৈরি করার ক্ষমতা তাকে আলাদা করে তোলে।

বর্তমানে ব্রাজিলের লীগে বেশ ফর্মেও আছেন পেরেইরা। ব্রাজিলের মাঝমাঠে যেখানে সৃজনশীলতার অভাব দেখা যায়, সেখানে পেরেইরা হতে পারেন কার্যকর সমাধান। তবুও জাতীয় দলে তার ডাক আসে অনিয়মিতভাবে, যা প্রশ্ন তোলে নির্বাচনী নীতির উপর।

এই তিনজনের মধ্যে একটি মিল রয়েছে,তারা সবাই ধারাবাহিক পারফর্মার, কিন্তু জাতীয় দলে সুযোগের ক্ষেত্রে বঞ্চিত।

ব্রাজিলের কোচিং স্টাফ অনেক সময় নামের জোরে সিদ্ধান্ত নেয়, যেখানে ফর্মে থাকা খেলোয়াড়রা থেকে যান আড়ালে। ফলে মাঝমাঠের সমস্যা থেকেই যায়, আর দল হারায় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ। এবার দেখা যাক, সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেন কিনা ব্রাজিলের নয়া কোচ।

- Advertisement -spot_img
- Advertisement -spot_img
Stay Connected
16,985FansLike
2,458FollowersFollow
61,453SubscribersSubscribe
Must Read
- Advertisement -spot_img
Related News
- Advertisement -spot_img

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here