বিশ্বকাপের আগে নিজেদের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে মিশরকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাস নিয়েই আসন্ন আসরে পা রাখছে ব্রাজিল।
ম্যাচজুড়ে আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দিলেও দুই দলের রক্ষণভাগের ভুলেই এসেছে তিনটি গোল।
খেলা শুরুর পর থেকেই মিশরের ওপর চাপ সৃষ্টি করে ব্রাজিল। প্রথম দুই মিনিটেই প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে ব্যস্ত করে তোলে সেলেসাওরা। যদিও ষষ্ঠ মিনিটে প্রথম উল্লেখযোগ্য আক্রমণ করে মিশর, তবে তার এক মিনিট পরই এগিয়ে যায় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
মিশরের গোলকিপার সতীর্থের কাছে বল বাড়ালে সেটি নিয়ন্ত্রণে ভুল করেন ডিফেন্ডার।
সুযোগটি কাজে লাগাতে এক মুহূর্তও দেরি করেননি ব্রুনো গিমারেজ। বল ছিনিয়ে নিয়ে দুর্দান্ত শটে জালে পাঠিয়ে ব্রাজিলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি।
তবে সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ১০ মিনিটের মাথায় ব্রাজিল অধিনায়ক মারকুইনিওসের ভুল পাস চলে যায় মিশরের খেলোয়াড়ের কাছে।
সুযোগ পেয়ে কোনো ভুল করেননি জিকো। তার নিখুঁত ফিনিশে সমতায় ফেরে আফ্রিকার প্রতিনিধিরা।
গোলের পর দুই দলই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ম্যাচ জমিয়ে তোলে। তবে বলের দখল ও সুযোগ তৈরির দিক থেকে এগিয়ে ছিল ব্রাজিল।
২৬তম মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের সামনে সুবর্ণ সুযোগ এলেও একা গোলকিপারকে পরাস্ত করতে পারেননি তিনি।
৩৮তম মিনিটে ইগর জেসুসও ভালো একটি সুযোগ নষ্ট করেন। প্রথমার্ধের শেষদিকে পেশিতে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন ওয়েসলি, যা ব্রাজিল শিবিরের জন্য বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এছাড়া মারকুইনিওস দেখেন হলুদ কার্ড।
বিরতির পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে ব্রাজিল। এর ফলও আসে দ্রুত। ৫২তম মিনিটে রাফিনিয়ার দারুণ পাস থেকে বদলি হিসেবে নামা লুইস এন্দ্রিক দুর্দান্ত শটে গোল করে দলকে আবারও এগিয়ে দেন।
জাতীয় দলের জার্সিতে ক্যারিয়ারের শুরুতে ধারাবাহিকভাবে নিজেকে প্রমাণ করা এই তরুণ ফরোয়ার্ড আবারও নাম লেখান স্কোরশিটে।
বাকি সময়ে মিশর সমতায় ফেরার চেষ্টা করলেও ব্রাজিলের রক্ষণভাগ আর কোনো ভুল করেনি। শেষ পর্যন্ত জয় নিয়েই বিশ্বকাপের চূড়ান্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করল সেলেসাওরা।




