বয়স নিয়ে আলোচনা আছে, আছে সমালোচনা। ভারতের সুরিয়াবংশী আইপিএলে পারফর্ম করে হয়েছেন টক অফ দ্যা টাউন। তবে বেশ কিছুদিন উচ্চতা অর্জন করে নিজেকে আর সামাল দিতে পারেননি এই ভারতীয় ক্রিকেটার। এতদিন মাঠের বাইরে ভদ্র ও শান্ত মনোভব দেখালেও ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসছে তার আসল চেহারা। আর সেটারই প্রমাণ পাওয়া গেলো শ্রীলঙ্কার সাথে ম্যাচে।
ঘটনার সুত্রপাত শ্রীলঙ্কা বনাম ভারত এ দলের ম্যাচে।।আগে ব্যাট করে ২৬৫ রান করে ভারত এ দল। জবাব দিতে নেমে ৪ বল আগে অলআউট লঙ্কা দল, তবে শ্রীলঙ্কাও করে সমান সংখ্যক রান। আর সেখানেই ম্যাচের ফলাফলের জন্য যাওয়া হয় সুপার অভারে।
সুপার অভারে নেমে ১৬ রান করে লঙ্কা দল। যেখানে ভারতকে জয়ের জন্য ১৭ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দেয় লঙ্কান ব্যাটাররা। আর সেই সুপারঅভারে ব্যাট করতে আসেন ভারতের সুরিয়াবংশী।
সেখানেই পুরো রান চেজ করতে ব্যার্থ হন তিনি। শেষ বলে ভারতের জয়ের জন্য তখন প্রয়োজন ছিল ৮ রান, তবে শ্রীলঙ্কার বোলার কুগাথাস মাথুলান নিখুঁত ইয়র্কার করে ভারতকে হারিয়ে দেন। আর সেখানে বল করার পর মাথুলান উচ্ছ্বসিত উদযাপন শুরু করেন, তার সঙ্গে যোগ দেন তার সতীর্থরাও।
ঠিক এরপরই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বৈভব সূর্যবংশী। ধারণা করা হচ্ছে, প্রতিপক্ষের উদযাপন কিংবা ম্যাচ-পরবর্তী কোনো মন্তব্যে অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন তিনি। উত্তেজনার এক পর্যায়ে শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের এক খেলোয়াড়ের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন সূর্যবংশী। এমনকি লঙ্কান ক্রিকেটারের গায়ে আঘাতের অভিযোগও আছে তার বিরুদ্ধে।
পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আগেই মধ্যস্থতায় এগিয়ে আসেন অভিজ্ঞ উইকেটকিপার নিরোশন ডিকওয়েলা। তিনি দুই পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। এমনকি ম্যাচ শেষে খেলোয়াড়রা করমর্দন করলেও সূর্যবংশীকে বেশ ক্ষুব্ধ দেখাচ্ছিল। সতীর্থদের সহায়তায় শেষ পর্যন্ত তাকে মাঠ ছাড়তে হয়।
তবে এটিই প্রথম নয়। এর আগেও অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের ফাইনালে পাকিস্তানের আলি রাজাকে ঘিরে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন সূর্যবংশী। ফলে তার আগ্রাসী মেজাজ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে ক্রিকেট মহলে।
জাতীয় দলে অভিষেক হয়নি এখনও। ঘরোয়া আসরের জন্য অল্পদিনেই পেয়েছেন লাইমলাইট। আর তাতেই যেনো বেড়িয়ে এলো আসল চিত্র।।ভারতীয়দের চেনা অভ্যাসটাই যেন আবারো দেখালেন সুরিয়াবংশী।




