আসর জুড়ে বিতর্ক, তর্ক, সমালোচনা। এরপর ফাইনালে এসে প্রতিপক্ষের কাছে নাকানিচুবানি অবস্থা আর্জেন্টিনা দলের। তবে কোনরকম বেচে ছিল গোল হজমের হাত থেকে। একের পর এক আক্রমণ করে তাদের ধরাশয়ী করে স্পেন দল। আর সেখানেই মেলে ফলাফল।
৯০ মিনিট শেষে অতিরিক্ত সময়ে যায় ম্যাচ। সেখানেই বড় সুযোগ তৈরি করে স্পেন দল। ডিবক্সের ভিতর বল পান মিকেল মেরিনো, সেখানে তিনি শট দেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানোর উদ্দেশ্যে। সেই বল ফিরিয়ে দেন আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক। কিন্ত সেখান থেকেই বল পান স্পেনের উইঙ্গার নিকো উইলিয়ামস।
এরপর দৌড়ে এসে পাওয়া বল শট করেন নিকো। বল জালে জড়িয়ে করেন গোল হবার উজ্জাপন। তবে সেই উজ্জাপনের আগেই বাজে বাশি। সাইড রেফারি থেকে তোলা হয় পতাকা।
প্রাথমিকভাবে অফসাইডের ধারণা করা হয়। কিন্ত এরপর দেখা যায় কোন অফসাইড হয়নি সেখানে। বরং ফাউলের কারণে বাতিল হয় স্পেনের গোল। অথচ কাকে ফাউল করা হয়েছে, তা নিয়ে বলা হয়নি কিছু। মিকেল মেরিনো শট করার সময় গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজের সাথে তার ছিল না নুন্যতম স্পর্শ। এর আগে একজন আর্জেন্টাইন বল দখলের লড়াইয়ে ব্যার্থ হয়ে পড়ে যান মাঠে। কিন্ত কোথায় ফাউল, সেটা নিয়ে বলা হয়না আলাদা কোন যুক্তি।
এমন সময় ভারের দিকে যেতে চায় স্পেন দল। একাধিকবার তারা আবেদন করে, গোলটাকে যেন দেখা যায় ভিডিও এসিস্ট্যান্ট রেফারির মাধ্যমে। কিন্ত সেটাও দেখা হয়না এরপর। একাধিকবার কমেন্টেররাও এই ফাউল নিয়ে করেন সন্দিহান। কিন্ত তাতেও সারা মেলেনা রেফারির।
এর আগে ম্যাচের মাঝে স্পেনের বিপক্ষে নিশ্চিত ফাউলের কল দেননা রেফারি। এমনকি পুরো ম্যাচে একাধিকবার আর্জেন্টিনাকে দেওয়া হয় সুবিধা। পুরো আসরেই গোল বাতিল সহ একাধিক বিতর্ক গিয়েছে আর্জেন্টিনার পক্ষে। ফাইনালেও সেই বিতর্ক থেকে মুক্ত হতে পারলোনা তারা। এমন বিতর্ক সঙ্গী হয়ে অর্জন কি আসলেই উপভোগ করবেন আর্জেন্টাইন ভক্তরা?-




