যুক্তরাষ্ট্রে একটি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সাকিব আল হাসানের উপস্থিতিকে ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি পদ।
নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের যুক্তরাষ্ট্র শাখার নেতাকর্মীদের দাবি, বর্তমান বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের মেয়াদ শেষে সাকিব আল হাসানকে বোর্ডের পরবর্তী সভাপতি হিসেবে দেখা যেতে পারে।
গত ১৫ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে ছাত্রলীগের একটি কর্মসূচিতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাকিব।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে তাকে ওই অনুষ্ঠানে নেতাকর্মীদের সঙ্গে দেখা যায়। অনুষ্ঠানে তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান উপস্থিত নেতাকর্মীরা।
সেখানেই ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা দাবি করেন, তামিম ইকবালের পর বিসিবির সভাপতির দায়িত্ব সাকিব আল হাসান নিতে পারেন।
তাদের বক্তব্য, দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নেতৃত্ব দেওয়া এবং দেশের ক্রিকেট সম্পর্কে অভিজ্ঞতার কারণে ভবিষ্যতে বোর্ডের প্রশাসনিক দায়িত্বেও সাকিবকে দেখা যেতে পারে।
তবে বিসিবি সভাপতি হওয়ার বিষয়ে সাকিব নিজে ওই অনুষ্ঠানে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা সরাসরি মন্তব্য করেননি। ফলে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের এই বক্তব্যকে আপাতত তাদের দাবি হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
এর আগে চলতি বছরের এপ্রিলে মুম্বাইয়ে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তামিম ইকবালের বিসিবি সভাপতি হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে ইতিবাচক মন্তব্য করেছিলেন সাকিব।
তিনি বলেছিলেন, তামিম নির্বাচিত হয়ে সভাপতি হলে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে বাংলাদেশের ক্রিকেট উপকৃত হতে পারে।
অন্যদিকে, সাকিবের ভবিষ্যতে ক্রিকেট প্রশাসনে আসার বিষয়েও ভিন্ন বক্তব্য সামনে এসেছে। চলতি বছরের মে মাসে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারভিত্তিক প্রতিবেদনে প্রশাসনিক দায়িত্ব নেওয়ার বিষয়ে তার অনাগ্রহের কথা উল্লেখ করা হয়।
সেখানে কোচিং বা মেন্টর হিসেবে কাজ করার সুযোগের কথা বিবেচনা করতে পারেন বলেও জানানো হয়েছিল।
বিসিবির সভাপতি পদে দায়িত্ব পাওয়ার বিষয়টি নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে নির্ধারিত হয় না।
বোর্ডের সাংগঠনিক কাঠামো ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নির্ধারিত হওয়ার কথা। ফলে যুক্তরাষ্ট্রে দেওয়া ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের এই দাবি এখন পর্যন্ত রাজনৈতিক কর্মসূচিতে দেওয়া একটি বক্তব্য হিসেবেই রয়েছে।




