১৭ বছরের ইয়ামাল আইডল মানেন সাবেক বার্সা তারকা নেইমারকে। বার্সেলোনা থেকে পিএসজি, নিজের বয়স ও নেইমারের খেলার সময় বলেন ইয়ামাল। ১৭ বছরের এই তরুণ মাঠেও গোল করে করেন নেইমি সেলিব্রেশন, সেটাও আবার এল ক্লাসিকোর মঞ্চে। নেইমারকে ঘিরে বেড়ে উঠা ইয়ামাল ভাঙলেন নেইমির রেকর্ডও।
১৭ বছর বয়সে ইয়ামাল খেলেছেন ৭৪ ম্যাচ। এর মাঝে করেছেন ৩৬ গোল এসিস্ট। যেখানে ১৫ গোলের সাথে ২১ এসিস্ট আছে ইয়ামালের। ১৭ বছর বয়সে নেইমার খেলেন ৫৩ ম্যাচ। সেখানে ইয়ামালের চেয়ে গোল বেশি করেন অবশ্য নেইমি, ১৯ গোল আসে তার পা থেকে। এছাড়া আর আসে ১১ এসিস্ট।
নেইমার খেলেছেন ব্রাজিলিয়ান লীগে, তবে ইউরোপে খেলে সব স্পটলাইট নিজের দিকে নেন ইয়ামাল। একই সাথে স্পেন দলে ডাক পেয়েছেন ইয়ামাল, স্পেনের হয়ে ইউরোও জয় করেছেন। ফলে এই তারকার ট্রান্সফারমার্কেটে মুল্য অনেক চড়া। বর্তমানে ইয়ামালের মার্কেটমুল্য ১৮০ মিলিয়ন ইউরো। এই বয়সে নেইমারের ছিল ৬ মিলিয়ন ইউরো।
তবে এতকিছুর মাঝেও যদি কিন্ত আছে। ১৭ বছর বয়সী নেইমার ইয়ামালের থেকে অনেক ম্যাচ কম খেলেছেন, সেখানে তার থেকে আদায় করেছেন বেশি গোল। এর সাথে গোল এসিস্টের র্যাশিওতে অনেক এগিয়ে গেছেন নেইমার। যেখানে ম্যাচপ্রতি ইয়ামালের গোল এসিস্ট ০.৪৮ টি, সেখানে নেইমারের গোল এসিস্ট ছিল ০.৫৬ টি।
অনেকে বলেন নেইমার ব্রাজিলের লীগে খেলেছেন। তবে অল্প বয়সে যেভাবে সান্তোসকে একা টেনেছেন, যেভাবে তাদের একের পর এক লীগ জিতেছেন, সান্তোসের হয়ে ব্যালনের মঞ্চে দাড়িয়েছেন সেটা প্রমাণ করে নেইমারের প্রতিভা। সেখানে ইয়ামালের প্রতিভাও দারুণ, তবে ইউরোপে খেলায় তার মার্কেটমুল্য বেড়েছে, ইউরোপে থাকলে এই বয়সে নেইমারও পেতেন দারুণ মার্কেটমুল্য। এছাড়া এখনও ক্যারিয়ারের অনেকদুর বাকি ইয়ামালের। তবে যেভাবে শুরু করেছেন তিনি, তাতে সেটাকে দুর্দান্ত বলাই যায়। একই সাথে ইয়ামালকে নিয়ে করা যায় আলদা আশাও।




