শেষ ৬ ম্যাচের এক ম্যাচে ছিল না কোন গোল এসিস্ট। এই মৌসুমে ফুটমব রেটিংএ মাত্র ৪ ম্যাচ ছিল ৭ এর নিচে, এর চেয়ে ৯ এর অধিক রেটিং এর সং্খ্যা ছিল বেশি। রাফিনহা নামবেন আর অসাধারণ কিছু করবেন না, তা হবেনা। শেষ ম্যাচেও করলেন জোড়া এসিস্ট। যে দুই গোল করালেন, বার্সার সম্বল ঐ গোল দুটিই। যে দুই গোল নিয়ে আটলান্টার সাথে ড্র করে বার্সেলোনা।
এর মাঝে ম্যাচের দ্বিতীয়ার্থে করেন প্রথম এসিস্ট। বামদিক থেকে পাওয়া বলে সামনে রান নিতে থাকা ইয়ামালের উদ্দেশ্যে নিখুত ওয়াইড পাস। এমন পাস যে গোলরক্ষক সামনে এসেও বোকা বনে যান। নিখুত পাসে ইয়ামালা সময়মত বল রিসিভ করে করে ফেলেন ফিনিশ। তাতে লিড পায় বার্সেলোনা।
এরপরের গোলটা করান আরাউহোকে দিয়ে৷ এবার কর্নারে পিনপয়েন্ট সফলতা রাফিনহার৷ তার বাড়ানো কর্নারে ফাকায় থাকা আড়াউহো মাথা ছোয়ান। আর তাতে আবারো লিড পায় বার্সেলোনা। এদিন বার্সেলোনা দলের সেরা তারকা এই রাফিনহাই।
রাফিনহার মত পারফর্মেঞ্চ আসে রদ্রিগোর পা থেকেও। রিয়াল মাদ্রিদের শুরুর গোল করেন, এরপর শেষে প্রতিপক্ষের কফিনে শেষ পেরেক ঢুকান। শুরুতে অবিশ্বাস্য ফুটওয়ার্ক দেখান, দারুণ এক ফিনিশ করেন। শেষে এমবাপ্পের বাউন্স করা বলে আলতু ফিনিশিং। মাঝে একের পর এক ড্রিবলিং ও ডুয়েলস জয়। রাতের সেরা পারফর্মার বললেও ভুল হবেনা রদ্রিগোকে।
রাফিনহা রদ্রিগোর মত হয়ত আলোরন হবেনা মারলন গোমেজকে নিয়ে। তবে ব্রাজিল থেকে ইউক্রেনে আসা এই তরুণকে নিয়েও প্রত্যাশা ছিল। সেভাবে পুরণ করতে না পারলেও শেষ ম্যাচে গোল পেয়েছেন তিনি। ডর্টমুন্ডের সাথে হারা ম্যাচেও ৫০ মিনিটে দলের একমাত্র গোল করেন মারলন। সেখানে দলকে ম্যাচে ফেরার দেন সুযোগ।
এছাড়া এসিস্ট আদায় করেন ব্রাজিলের উইঙব্যাক সামুয়েল দিয়াস লিনো। ফর্মে থাকা আতোয়া গ্রিজম্যানকে দিয়ে দলের তৃতীয় গোল আদায় করান এই ব্রাজিলিয়ান। লিনোর সাথে এদিন দারুণ পারফর্মেঞ্চ করেন পিএসভির মাউরো জুনিয়ারকে নিয়ে৷ তবে এই লেফট ব্যাক বদলে দেন দলের চিত্র। ৯৫ ভাগ হারে ৪১ পাস, ১ বার চাঞ্চ ক্রিয়েট, ড্রিবলিং, লং বল, ৩ বার ট্যাকেলের সাথে একবার করেন লাষ্ট ম্যান ট্যাকেল। চ্যাম্পিয়ন দল লিভারপুলকে হারাতে এদিন বড় ভুমিকাই রাখেন মাউরো জুনিয়ার।
এদিন ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে চ্যাম্পিয়ানস লীগের মঞ্চে নিজের প্রথম গোল তুলে নেন ব্রাজিলের উইঙ্গার স্যাভিও। আর তাতে টুর্নামেন্টে টিকে যায় ম্যানচেস্টার সিটি। অপরদিকে বার্সেলোনার বিপক্ষে গোল করেন ব্রাজিলের মিডফিল্ডার এডারসন। যে কারণে বার্সেলোনার বিপক্ষে ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে তার দল আটালান্টা
সব মিলিয়ে রাতটা নিজেদের করে নেন ব্রাজিলিয়ানরা। আগামী দিনেও ইউরোপে ব্রাজিলিয়ানদের রাজত্ব অব্যাহত রাখুক এমটা চাওয়া সবার৷





