ফিল্ডিং ইউনিট আমরা কখনো ইন্টারন্যাশনাল লেভেলের ছিলাম না। কথাটি মোঃ মিঠুনের।
বাংলাদেশ সব সময় ফিল্ডিংয়ে হারে।
গতকাল শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ, কিন্তু সেই জয়ের পরও প্রশ্ন থেকে গেছে—বাংলাদেশের ফিল্ডিং কবে আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছাবে?
বাংলাদেশের ফিল্ডিং যেন বরাবরের মতোই একটি দুর্বল দিক হয়ে আছে। একটা কথা আছে, ক্যাচ মিস।”
কথাটি শুধু বলার জন্য নয়, গতকালের ম্যাচেই তার বাস্তব উদাহরণ মিলেছে একাধিকবার।
ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যেন ক্যাচ মিস, থ্রো মিস, রানআউটের সুযোগ নষ্ট, সবই চলেছে ধারাবাহিকভাবে।
একটি সময় শ্রীলঙ্কার ইনিংস যখন চাপে ছিল, তখন দুইটি সহজ ক্যাচ মিস করেন দুই ফিল্ডার।
এই ভুলগুলোর কারণে ব্যাটসম্যানরা পুনরায় সেট হয়ে গুরুত্বপূর্ণ রানের জুটি গড়তে পেরেছেন।
ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশের বারবার এই দুর্বলতা স্পষ্ট । আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যখন প্রতি একটি বলই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে, তখন বাংলাদেশের এমন নরম ও অলস ফিল্ডিং চিত্র রীতিমতো লজ্জাজনক।
মাঠে অনেক সময় ফিল্ডারদের প্রতিক্রিয়া এতই ধীর যে মনে হয় তারা যেন অলসভাবে হাঁটছেন, দৌড়াচ্ছেন না।
অনেক সময় দেখা যায় ফিল্ডার বল ধরতে লাফ দেওয়ার চেষ্টাও করেন না—যেটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একেবারেই অগ্রহণযোগ্য।
ফিটনেসের অভাব, মানসিক প্রস্তুতির ঘাটতি ও পর্যাপ্ত প্র্যাকটিস না থাকায় এসব দৃশ্য বারবার উঠে আসে।
এই ব্যর্থতার কারণ কী? উত্তরে মিঠুন বলেন, “সবকিছু মিলিয়ে আমরা জাতিগতভাবেই স্পোর্টস এ পিছিয়ে।
শুধু একটা-দুইটা জিনিস পরিবর্তন করলেই হবে না। আমি শিওর কোচ এইটা নিয়ে কাজ করছে। বাট এটা যদি আপনি ওই লেভেলের করতে চান, ওভারনাইট চেঞ্জ হবে না—এজন্য সময় দিতে হবে।”
Mithun er bite
বাংলাদেশের ফিল্ডিং উন্নয়নে প্রয়োজন জোরালো পরিকল্পনা ও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ।
কেবলমাত্র ব্যাটিং বা বোলিংয়ে ভালো করে দল গঠিত হয় না—ফিল্ডিং একটি ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দেয়।
সেদিক থেকে বাংলাদেশের ফিল্ডারদের আরও অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে। না হলে জয় এলেও প্রতিবার থাকবে সমালোচনার ধোঁয়া।
জয় স্বস্তি দিলেও ফিল্ডিংয়ের এমন চিত্র লজ্জার, এবং যতদিন না বাংলাদেশ তার ফিল্ডিং ইউনিটকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে পারছে, ততদিন বারবার এই সমস্যা সামনে আসবে—কখনো ক্যাচ মিসের কারণে, কখনো রানআউট মিসের কারণে, আর কখনো ম্যাচই হাতছাড়া হওয়ার কারণে।




