ক্লাব বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের লড়াইয়ে ড্রিবলিংএ দুইজন পুরণ করেন দুই অঙ্কের ঘর।
একজন পিএসজির এই সময়ের অন্যতম তরুণ তারকা ডিজায়ারা ডুয়ো। যার খেলার ধরণে মুগ্ধ ফুটবল বিশ্ব।
আরেকজন টুর্নামেন্টের অন্যতম দুর্বল দল ইন্টার মায়ামির ৩৮ বছর বয়সী একজন খেলোয়াড়, যিনি লিওনেল মেসি।
৩৮ এর মেসি ড্রিবলিং এ থাকেন সেরাদের কাতারে। আর সেখানেই যেন অনুমান করা যায় ড্রিবলিংএ মেসির দখল।
সেরা পাচ লীগে দুটি ক্লাবে খেলেছেন লিওনেল মেসি। সেখানে মোট ড্রিবলিংএ সবার সেরা লিওনেল মেসি।
এমনকি এই তালিকায় তার কাছাকাছিও নেই কেউ। দুইয়ে থাকা ইডেন হ্যাজার্ড থেকে ড্রিবলিংএ প্রায় দ্বিগুণ এগিয়ে মেসি।
এই তালিকায় শীর্ষে থাকা মেসি লা লীগা খেলেছেন বার্সেলোনার হয়ে। আর পিএসজির হয়ে খেলেছেন ফ্রাঞ্চের লীগ ওয়ান।
সেখানে মোট ২৩৫৮ ড্রিবলিং করেন এলএমটেন। যে সং্খ্যাটা তাকে রেখেছে এই তালিকায় সবার উপরে।
তালিকার দুইয়ে অবস্থান সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ ও চেলসি তারকা ইডেন হ্যাজার্ডের। রিয়ালে সফলতা না পেলেও চেলসিতে নিজেকে চেনান হ্যাজার্ড। মোট ১২৮৫ ড্রিবলিং করেন সাবেক বেলজিয়াম তারকা।
নাম্বার তিনে তার পরের অবস্থান ফ্রাঙ্ক রিবেরি। রিবেরি ফ্রাঞ্চ জাতীয় দলে খেলেছেন। ফ্রেঞ্চ এই ফুটবলার বিশ্বের নানা দেশে খেললেও বেশি খেলেছেন জার্মানির বুন্দেসলীগা ও ইতালির সিরিআতে।
সেখানে বায়ার্ন ও ফ্লোরিন্তিনার হয়ে মাঠে নামেন রিবেরি। মোট করেন ১০৬৫ ড্রিবলিং।
৯৮৫ ড্রিবলিং নিয়ে তালিকার চারে আছেন ব্রাজিলের প্রিন্স নেইমার। ইঞ্জুরি ও অন্যান্য সমস্যা না থাকলে এই সংখ্যাটা বাড়তে পারত আরো বহু গুণে।
তবে এরপরও এই তালিকায় থাকা প্রমাণ করে আসলেই কতটা প্রতিভাবান ছিলেন নেইমি।
নেইমির পর সেরা পাচে আছেন উইলফ্রেড জাহা। আইভোরি কোস্টের জাহা বর্তমানে খেলেন মেজর লীগ সকারে।
তবে দীর্ঘদিন ক্রিস্টাল প্যালেসে খেলেছেন এই তারকা। তার ড্রিবলিং সংখ্যা ৯৭২। দীর্ঘদিন রিয়াল মাদ্রিদ, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও জুভেন্তাসে খেললেও এই তালিকার সেরা পাচে জায়গা মিলেনি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর।
সর্বোচ্চ গোলে দুই নাম্বারে লিওনেল মেসি। এসিস্টে সবার সেরা। ড্রিবলিং এও সবার সেরা লিওনেল মেসি।
টপ ৫ লীগে হয়ত আর খেলবেন না এলএমটেন। কিন্ত তার ড্রিবলিং এর রেকর্ড আগামী দিনে ভাঙা একপ্রকার অসম্ভব যে কারো জন্য৷




