গত আসরে ফিফা বেষ্ট হয়েছেন ভিনিসিয়াস জুনিয়ার, ব্যালন ডি অর রেসে ছিলেন দ্বিতীয়তে।
এর বাইরে ক্লাব লেভেলে জয় করেছেন দুইবার চ্যাম্পিয়নস লীগ শিরোপা। ছোট্ট ক্যারিয়ারে ভিনি এইগুলো অর্জন করেছেন।
সেখানে এই ৩ টায় ভিনিকে ছোয়া হয়নি নেইমারের।
অপরদিকে নেইমির পর ব্রাজিলে রাজত্ব করছেন রাফিনহা। গোল এসিস্টে টপকে যাচ্ছেন সবাইকে৷ আরো একবার বার্সাকে ফিরিয়েছেন আগের ফর্মে।
গোল, এসিস্ট, চাঞ্চ ক্রিয়েট, কর্নার সবই করছেন সমানতালে। বার্সায় হয়ে এই মৌসুমে রাফা যত গোল এসিস্ট করেছেন, তা এক মৌসুমে করতে পারেননি নেইমার।
১৮ বছর বয়সী এস্তেভিও গোল এসিস্টে এই বয়সের নেইমারকে ছাড়িয়ে গেছেন। এখনই জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েও গেছেন তিনি।
কিন্ত অবাক করা বিষয় হলো নেইমারের রেকর্ড ভাঙতে থাকা এইসব খেলোয়াড়রা দলে থাকলেও ব্রাজিল দলে তারা ভক্তদের ভরসাযোগ্য নন৷ সেখানে ইঞ্জুরির কারণে মাঠের বাইরর থাকা নেইমারকে ঘিরে সব আগ্রহ।
প্রায় দুই বছর ব্রাজিল দলের বাইরে থাকা নেইমার ফিরবেন, কবে ফিরবেন তা ঘিরেই সব জল্পনা কল্পনা।
কেন এই আগ্রহ নেইমারকে ঘিরে। কেননা নেইমার দায়িত্ব নিতে জানেন। ১৮ এর এস্তেভিও হয়ত রেকর্ডে নেইমারকে ভাঙতে পারেন।
কিন্ত ১৮ এর নেইমার হলুদ জার্সিতে যা করেছেন, সেটা তার কাছে স্বপ্নের মত। দুইবার চ্যাম্পিয়নস লীগ জয় করেছেন, ক্লাবে ডিফেন্ডারদের আতঙ্কের কারণ হয়েছেন ভিনিসিয়াস।
কিন্ত জাতীয় দল এলেই যেন ভিনি হারিয়ে যান কোন গহীন কোনে। সেখানে তরুণ নেইমার সান্তোস থেকে বার্সেলোনায় রাজত্ব করেছেন।
জাতীয় দলে এসে গোলের পর গোল করেছেন, প্রাইম পিকে, র্যামোসদের ডিফেন্ডকে ভেঙেচুড়ে এনে দিয়েছেন কনফেডারেশন কাপ শিরোপা।
রাফিনহা হয়ত এখন ফিনিশিংএ সেরা হয়েছেন, আক্রমণভাগে দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
কিন্ত ৪-০ গোলে পিছিয়ে থাকা দলকে চ্যাম্পিয়নস লীগের মঞ্চ থেকে ফেরানো, বড় ম্যাচে পারফর্ম এইসবে এখনও নেইমারের থেকে পিছিয়েই আছেন রাফিনহা। রাফা তো মাত্র পারফর্ম শুরু করেছেন, তার বয়সে নেইমি তুলনায় থেকেছেন মেসি রোনালদো থেকে।
ব্রাজিলের ইতিহাসের অন্যতম দুর্বল দল নিয়েও বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে গিয়েছেন।
বড় লিজেন্ড দলে না থাকলেও ব্রাজিলকে কনফেডারেশন কাপ জিতিয়েছেন৷ ব্রাজিলকে প্রথমবারের মত জিতিয়েছেন অলিম্পিক।
তার সময় হয়ত ব্রাজিল বিশ্বকাপ পায়নি, তবে ব্রাজিল তার চিরচেনা ছন্দ ধরে রেখেছেন। তার অনুপস্থিতিতে শেষ ২ বছর যে ছন্দে যেন বড্ড হারিয়ে গেছে।
এতকিছুর পরও কেন নেইমার স্পেশাল? নাহ এই প্রশ্ন তোলা থাক আপনাদের জন্য, কেন আপনারা অন্য সবার থেকে ভালোবাসেন বেশি এই ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টারকে?




