সাকিব আল হাসানকে আবারও জাতীয় দলে দেখা যেতে পারে,এমন সম্ভাবনার আভাসই দিলেন সদ্য দায়িত্ব নেওয়া বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “সাকিব তো এভেলেভেল খেলোয়াড়, সে অবসর নেয়নি সব ফরম্যাট থেকে।
তার সাথে কথা বলবো খেলানোর ব্যাপারে, তবে আমিও আগেই বলেছি সবকিছু নির্ভর করছে আমাদের নির্বাচকদের উপরে।”
বুলবুলের এই মন্তব্য যেন ঘুরে দাঁড়ানোর আশায় থাকা কোটি ক্রিকেটপ্রেমীর হৃদয়ে আশার আলো ছড়াল।
কারণ, দীর্ঘদিন ধরেই জাতীয় দলের বাইরে থাকা সাকিবকে ঘিরে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল—তিনি কি ফিরবেন?
নাকি চুপিসারে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারকে বিদায় জানিয়ে দিয়েছেন? তবে বোর্ড সভাপতির এমন বক্তব্যে অন্তত নিশ্চিত হওয়া গেল,সাকিবের পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।
বাংলাদেশ ক্রিকেটের ইতিহাসে সেরা নাম সাকিব আল হাসান। ব্যাটে-বলে সমান পারদর্শী এই অলরাউন্ডার দলের বহু জয়ে রেখেছেন অসামান্য ভূমিকা।
একের পর এক বিশ্বকাপ ও আইসিসি টুর্নামেন্টে তার পারফরম্যান্স দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের এনে দিয়েছে গর্ব আর আশ্বাস।
কিন্তু সবশেষ ২০২৩ সালের আগস্টে ভারতের বিপক্ষে খেলেই জাতীয় দল থেকে ছিটকে পড়েন তিনি।
এরপর রাজনীতির মাঠে নাম লেখান সাকিব। আওয়ামী লীগের হয়ে মাগুরা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর রাজনৈতিক ব্যস্ততায় মাঠের ক্রিকেটে আর দেখা যায়নি তাকে।
এর মাঝে একটি হত্যা মামলায় নাম আসায় তিনি দেশে ফেরেননি দীর্ঘদিন ধরে।
ক্রিকেট থেকে দূরে থাকলেও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো অবসরের ঘোষণাও দেননি।
তবে এখন আবার জাতীয় দলের দরজায় সাকিবের কড়া নাড়ার সম্ভাবনা। বিসিবি সভাপতির বক্তব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে, আলোচনা হলে এবং নির্বাচকেরা চাইলে তাকে আবারও দেখা যেতে পারে জাতীয় দলে।
অন্যদিকে, বিসিবির আরেক পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু সাকিবের ব্যাপারে কিছুটা আশাবাদী কণ্ঠে বলেন, “বাংলাদেশের গ্রেটেস্ট ক্রিকেটার হচ্ছেন সাকিব আল হাসান। এখানে কোনো সেকেন্ড চয়েস নেই।
তার জন্য দরজা সবসময় খোলা। এখন বিষয়টা নির্বাচক ও টিম ম্যানেজমেন্টের ওপর। তারা বিষয়টি নিয়ে ভাবছে।”
তিনি আরও যোগ করেন, “বর্তমান সভাপতি পুরো দায়িত্ব দিয়ে দিয়েছেন ক্রিকেট অপারেশন্স, নির্বাচক ও টিম ম্যানেজমেন্টকে।
তাদের নজরেও এসেছে বিষয়টি। তারা অবশ্যই এটা দেখবে” সব মিলে সাকিব ভক্তরা আরো একবার আশায় বুক বাধতেই পারে।




