দলের ভাইস ক্যাপ্টেন হওয়া শর্তেও তার জায়গায় খেলানো হচ্ছিলো মিরাজকে,আশানুরূপ পারফর্ম না করা মিরাজের জায়গায় সুযোগ পেয়েই মাহেদী প্রমান করলেন কিন্তু তিনি এই ফরম্যাটের ভাইস ক্যাপ্টেন!
টসে হেরে ইনিংসের প্রথম ওভারে শরিফুল ইসলাম উইকেট তুলে নেওয়ার পরেও,দ্বিতীয় ওভারে একজন স্পীনারকে আক্রমণে আনেন অধিনায়ক লিটন কুমার দাস। আর নিজের ওভারের ৫ম বলেই তানজিদ হাসানের ক্যাচ করে কুশাল পেরেরাকে ফেরান আজ একাদশে সুযোগ পাওয়া শেখ মাহেদী।
৭ম ওভারে এবার যেন বড় মাছের জন্যই ফাদ পাতেন মাহেদী,আর সেই ফাদে ধরাও দেন বিগ ফিস আসালাঙ্কা।
এবার কারো ক্যাচ নয় বরং দারুন টার্নে বোল্ড করে ফেরান তাকে।
৩ ওভারে মাত্র ১১ রান দেওয়া শেখ মাহেদী নিজের শেষ ওভার করতে এসে আবারো তুলে নেন উইকেট, সেটিও এবার এক ওভারে কোনো রান না দিয়েই।
১১ ওভারে ৫ উইকেট হারায় লঙ্কা,আর সেই লঙ্কাউ একাই চার উইকেট তুলে আগুন ধরান শেখ মাহেদী।
যা কিনা তার ক্যারিয়ার বেস্ট।একজন স্পীনারকে পাওয়ার প্লেতেই এভাবে ইউস করতে পারা মোটেও সহজ ব্যাপার নয়,অথচ আগের দুই ম্যাচে একাদশে সুযোগই পাননি মেহেদী।
পাকিস্তান সফরে শুরুতে স্কোয়াডেও ডাক পাননি যেই মিরাজ সেই মিরাজই হয়ে যায় লঙ্কায় দলের মুল স্পীনার,বলে ব্যাটে তেমন কিছুই করতে পারেননি মিরাজ।
আর সেখানে সুযোগ পেয়েই বাজিমাত করেছেন দলের ভাইস ক্যাপ্টেন শেখ মেহেদী।
দলের এই পরিবর্তন নিয়ে কথা বলেছিলো অনেকেই,তবে কোনো অজানা কারনে শেখ মাহেদীদ জায়গায় খেলানো হয় মিরাজকে।
মাহেদীর এক ম্যাচের পারফরম্যান্স আগের দুই ম্যাচেও করতে পারেননি মিরাজ,তাই ম্যানেজমেন্টের আগের দুই ম্যাচের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলা যেতেই পারে!




