লঙ্কানদের বিপক্ষে সর্বশেষ ম্যাচে তামিম ছয় মেরেছেন মোট ৬ টি। ৭০ উর্দ্ধ রানের ইনিংসে চার এসেছে একটি।
তবে সেটিও তামিম পেয়েছেন এজ হয়ে, যে বলে মুলত সিঙ্গেল নেওয়ার জন্য ফ্লিক করতে গিয়েছিলেন তামিম।
কিন্ত যেসব বলে ৬ হাকিয়েছেন তামিম, প্রত্যেক শট ছিল দৃষ্টিনন্দন। ফুটওয়ার্ক, টাইমিং, প্লেসমেন্ট, তানজিদ তামিম যেন শিল্পীর তুলির আচড়ের মত
শুধু সৌন্দর্যে নয়, সংখ্যায়ও ছক্কার দিকে সেরা জুনিয়ার তামিম।
এই বছর আন্তজার্তিক টি২০তে ৯ ম্যাচে ২১ ছক্কা তামিমের৷ অর্থ্যাৎ ম্যাচপ্রতি ২ টির অধিক ছক্কা হাকিয়েছেন।
এই বছর আন্তজার্তিক ক্রিকেটে তার থেকে মাত্র এক ছক্কা বেশি হাকিয়েছেন ভারতের অভিষেক শর্মা।
এর বাদে এই সময় ক্রিকেট খেলা যেকোন দেশের খেলোয়াড়ের চেয়ে বেশি ছক্কা হাকান তামিম, ভাঙেন হাঙেরীর শেখ রাসিকের ১৯ ছক্কার রেকর্ড।
২০২৫ সালে টি২০ ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ছক্কার তালিকায় সেরা সাতে তামিম। এই বছর মোট ২০ টি২০ খেলে তামিম মেরেছেন ৫৫ ছয়।
অর্থাৎ ম্যাচপ্রতি প্রায় ৩ টি ছয় হাকিয়েছেন তিনি। এই সময় তার থেকে গড়ে বেশি ছয় হাকিয়েছেন শুধু পাকিস্তানের শাহাব্জাদা ফারহান।
এই তালিকায় নিকোলাস পুরান, ডেয়াল্ড ব্রেভিস, ফিন এলেন, মায়ার্সের মত পাওয়ার হিটাররা থাকলেও তারা গড়ে তামিমের চেয়ে বেশি ছক্কা মারতে পারেননি।
তানজিদ তামিমের ওপেনিং পার্টনার পারভেজ ইমন আরব আমিরাতের সাথে সেঞ্চুরি করতে হাকান ৯ টি ছক্কা।
যা একম্যাচে বাংলাদেশীদের মাঝে সর্বোচ্চ ছয়ের রেকর্ড। ৬ ছক্কা নিয়ে তালিকার দুই নাম্বারে চলে আসলেন তানজিদ তামিম।
এই দুই ওপেনার এখন সেরার তালিকায় রাজত্ব করছেন।
গায়ের জোড় নয়, ভালো টাইমিং ও ফুটওয়ার্ক থাকলেও যে নিমিষে ছক্কার পর ছক্কা মারা যায়, সেটাই দেখালেন তামিম।
একই সাথে তরুণদের জন্য তামিম হয়ে থাকলেন দৃষ্টান্ত।
বিশেষ করে যাদের দাবি বাংলাদেশের জল হাওয়ায় বেড়ে উঠে ছক্কা মারা যায় না, তাদেরকেই যেন তামিম শেখালেন ছয় মারার কৌশল।
আগামী দিনে টি২০ ক্রিকেটে বাংলাদেশের ব্রান্ড হয়ে উঠুক তামিমরা, এমনটাই চাওয়া ভক্তদের।




