এইতো কদিন আগে,পাকিস্তানের মাটিতে লজ্জাজনক হোয়াইওয়াশ হয়ে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দল,হেরেছিলো আরব আমিরাতের সাথেও।অথচ সেই দলই শ্রীলঙ্কাকে সিরিজ হারিয়েছে তাদের মাঠে,এবার মীরপুরেও চেপে ধরলো তাদের।
১১১ রানের সহজ লক্ষ্যে অবশ্য শুরুতে ধাক্কা খায় বাংলাদেশ,৪ বলে এক রান করে ইনফর্ম তামিম আউট হলে,সফল হননি লিটনও,তামিমকে কপি পেস্ট করে ৪ বলে ১ করে ফেরেন লিটন।
তবে বিপদ বাড়তে দেয়নি হৃদয়-ইমন।দুজনে পালটা আক্রমন চালায় পাকিস্তানের উপর।একের পর এক চার ছয়ে ম্যাচ আনে হাতের মুঠোতে।
অবশ্য এর আগেই আসল কাজটা করেছে বোলাররা।
ইনিংসের প্রথম ওভার অধিনায়ক লিটনের ভরসার হাত শেখ মাহেদীর কাধে।প্রথম ওভারে প্রায় উইকেট এনেই দিয়েছিলেন তবে,ফখর জামানের দেওয়া সহজ ক্যাচ হাত ফসকে যায় তাসকিনের।
তবে সেই হাতেই লিটন তুলে দেন দ্বিতীয় ওভার।আর বল হাতে নিয়ে ওভারের পঞ্চম বলেই ফিজের ক্যাচ করে ফেরান সায়েম আইয়ুবকে।
অবশ্য নিজের উইকেট তোকার নেশা তখনো কাটেনি দলের ভাইস ক্যাপ্টেন মাহেদীর।
নিজের দ্বিতীয় ওভারে এসেই শামিমের ক্যাচ করে ফেরান সদ্য উইকেটে আসা মোহাম্মদ হারিসকে।
আশা যাওয়ার মিছিলে পাকিস্তানকে আরো ডাবিয়ে দেন তানজিম সাকিব।একের পর এক বল যেন আতঙ্ক তৈরী করছিলো ব্যাটারদের,আর সেই আতঙ্ক থেকে রেহাই পেতে গিয়েই ভুল করে বসেন দলের অধিনায়ক সালমান আলী আঘা!
সাফল করে স্কুপ খেলতে গিয়ে লিটনের হাতে সহজ ক্যাচ দিয়ে ফেরেন এই ব্যাটার।
আগের সব বোলার উইকেট পেয়েঁছেন,নিজেকে বঞ্চিত করেননি দলের সেরা পেসার ফিজও।
নিজের প্রথম ওভারেই ভয়ঙ্কর হবার আগে ফেরান হাসান নেওয়াজকে।
স্লগ খেলতে গিয়ে রিশাদের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি
।পাওয়ার প্লের হতাশা কাটিয়ে ওঠার আগেই ৮ম ওভারে দলের অভিজ্ঞ ব্যাটার নাওয়াজকে রান আউট করে ফেরান লিটন ও মাহেদী মিলে।
তবে আশা যাওয়ার মিছিলে একজন ছিলেন ভিন্ন,তিনি ফখর জামান,প্রথম ওভারেই জীবন পাওয়া ফখর একাই টেনে নিয়েঁছেন দলকে,তিনি হয়েছেন রান আউট,অন্যদিকে ফিজ-তাসকিনে ১১০ রানেই অল আউট হয় তারা,যা যথেষ্ট ছিলোনা বাংলাদেশকে হারাতে।




