সিটির জার্সি গায়ে ৩ ম্যাচ খেলা হয়েও গেছে। মজার ব্যাপার হচ্ছে ৩ ম্যাচ ইচভেরি খেলেছেন আলাদা ৩ আসরে।
এর মাঝে ক্লাব বিশ্বকাপে ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে গোলের খাতাও খুলেছেন। কিন্ত এখনও ইচভেরিকে পরখ করার আছে অনেক বাকি।
যে কারণে ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে অভিষেক হলেও নতুন মৌসুমে ইচভেরিকে নতুন করেই দেখতে চাইবে ভক্তরা।
আর্জেন্টিনার বয়সভিত্তিক দলে সেরা পারফর্মারদের একজন ইচভেরি। ১৮ এর ইচভেরি ভরসা হতে চাইবেন পেপ জোসেফ গার্দিওলার। আর তাকে নিয়ে ভরসা করতে চাইবেন ভক্তরা।
১৮ তে এবার ইচভেরির মত বড় ক্লাবে মাস্তানতুনহো। অল্প বয়সে মুল দলে অভিষিক্ত হয়েছেন, পেয়েছেন আর্জেন্টিনা দলের ডাকও।
ফ্রিকিক, গতি ও বল কন্ট্রোল, মাস্তানকে নিয়ে বড় স্বপ্ন আলভিসেলেস্তা ভক্তদের।
রিয়াল মাদ্রিদের নতুন কোচ জাবি আলান্সোর পছন্দের তালিকায়ও আছেন এই তরুণ।
যে কারণে তাকে নিজে ডেকে দলে নিয়েছেন এই কোচ। আগামী মৌসুমে লস ব্লাঙ্কোসদের হয়ে নিজেকে প্রমাণের বড় সুযোগ পাবেন তিনিও।
অপরদিকে এদের তুলনায় কিছুটা অভিজ্ঞ আলমাদা। ব্রাজিল ছেড়ে বড় ক্লাবে আসতে পারেন, এমন গুঞ্জন ছিল আগেই।
শেষ পর্যন্ত সিমিওনে, আলভারেজদের সাথে যোগ দেন এথলেটিকো মাদ্রিদের।
ডি পলের বিদায়ে যতটুক মন খারাপ করবে ভক্তরা, আলমাদার আগমণ সেই হতাশাটুকু কাটিয়ে দেবে আর্জেন্টাইন ভক্তদের।
আর্জেন্টাইন মাদ্রিদ খ্যাত এথলেটিকো মাদ্রিদে তাই আলমাদা ঝলক দেখার প্রত্যাশা তাদের।
তবে প্রশ্ন হলো, এই তিনে কার সফল হবার সম্ভাবনা বেশি। অভিজ্ঞতা, পারফর্মেঞ্চ ও বয়সের কারণে আলমাদার বাকি দুইজন থেকে ম্যাচ বেশি খেলার সম্ভাবনা আছে।
যদিও তার পজিশনে গ্রিজম্যান আছেন, যিনিও এখনও পারফর্ম করে যাচ্ছেন। তবে উইঙ ও এটাকিং মিড, দুই জায়গায় সমান পারদর্শী আলমাদা।
এথলেটিকো ৪-৫-১ ফরমেশনে লেফট মিড বা সেন্ট্রাল মিড হিসেবেও দলে নিয়মিত হতে পারেন আলমাদা।
তাই বাকি দুইজনের থেকে তার থেকে ভালো করার আশাটা বেশিই থাকবে। একই সাথে জাতীয় দলে নিয়মিত তিনি।
এথলেটিকোতে জ্বলে উঠে সেই জায়গা ধরে রাখবেন, এটাই চাওয়া থাকবে সবার।
বিপরীতে অনেকটা একই প্রান্তে দাঁড়িয়ে ইচভেরি ও মাস্তানতুনহো। দুইজনকে নিজ পজিশনের জন্য লড়াই করতে হবে।
রিয়াল দলে গুলার, ব্রাহিম, রদ্রিগো আছে। অপরদিকে এটাকিং মিডফিল্ডার হিসেবে আছেন জুড বেলিংহাম।
স্বভাবতই শুরুর একাদশে খুব বেশি সুযোগ নেই মাস্তার। তবে ভালো পারফর্ম করতে পারলে সুযোগ তৈরি করতে পারবেন তিনি, কেননা কোচের বেশ পছন্দের তিনি।
সেক্ষেত্রে ইচভেরিওকে করতে হবে লড়াই। তবে খেলোয়াড়দের রোটেট করতে পছন্দ করেন গার্দিওলা।
ক্লাব বিশ্বকাপে শেষ ম্যাচে গোল করার পর পেপের দলে ইচভেরির বেশি সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনাই জোড়ালো।
শেষ পর্যন্ত কে কেমন সুযোগ পান এবং পারফর্ম করেন, সেটা দেখা যাবে মৌসুম শেষেই।
তবে প্রত্যাশার পারদ যে তিনজনকে ঘিরেই উচু সেটা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখেনা।




