Homeক্রিকেটশরিফুল-তানজিম-ফিজ-তাসকিন!কাকে রেখে কাকে খেলাবে বাংলাদেশ?

শরিফুল-তানজিম-ফিজ-তাসকিন!কাকে রেখে কাকে খেলাবে বাংলাদেশ?

- Advertisement -spot_img

একটা সময় বলা হত যদি বাংলাদেশে কোন ইট ছোড়া হয় তবে সেটা পড়বে বাংলাদেশের কোন বাহাতি স্পিনারের গায়ে।

দিন বদলেছে, এখন যেন বাহাতি স্পিনার নিয়েই বাংলাদেশ নামে কালেভদ্রে। বিপরীতে এখন বাংলাদেশে রাজত্ব করছে পেসাররা।

পেসারদের আধিপত্য এতই যে কাকে রেখে কাকে খেলাবে সেটাই যেন মধুর সমস্যা।

সাদা বলের ক্রিকেটে বাংলাদেশের অপরিহার্য অংশ মুস্তাফিজুর রহমান। মিড অভার্স বা ডেথ, ফিজ থাকা মানে দলের আলাদা শক্তি যোগ হওয়া।

ভ্যারিয়েশনে এই মুহুর্তে ফিজকে পরাস্ত করার মত বোলার নেই বাংলাদেশে। যে কারণে ফিজ না থাকলে তার অভাব টের পাওয়া যায়।

এই বছর ফিজ থাকলেই জয় পেয়েছে বাংলাদেশ, না থাকলে হেরে গেছে টি২০.

ফিজ ছাড়া যেন এই মুহুর্তে দলে নেই অটো চয়েস। তাসকিন আহমেদের মত বোলার ইঞ্জুরির পর একাদশে নিয়মিত হচ্ছেন না।

অথচ ইঞ্জুরি থেকে ফিরেই লঙ্কানদের বিপক্ষে অডিয়াইতে নেন ৪ উইকেট।

এরপর টি২০ তে সুযোগ পেয়ে গত ম্যাচে নিজেকে প্রমাণ করেন তাসকিন।

তাসকিনের সাথে সাথে নিজেকে প্রমাণ করে যাচ্ছেন শরীফুল। লঙ্কানদের বিপক্ষে সিরিজের পর এবার পাকিস্তানের বিপক্ষেও বল হাতে জ্বলে উঠেছেন। বিশেষ করে পুরোনো গতি ও দুইদিকে সুইং করার দক্ষতা ফিরে পেয়েছেন।

এই মুহুর্তে আবারো শরীফুল যাচ্ছেন সেরাদের কাতারে।

সুযোগ পেয়ে তানজিম সাকিব জোড়া উইকেট তুলে নিচ্ছেন, পাওয়ারপ্লের নিচ্ছেন পুরো ফায়দা।

এর বাইরে ব্যাট হাতেও ছক্কা হাকাচ্ছেন। অডিয়াই বা টি২০ দলের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ রান করছেন।

সুযোগ পেয়ে সাইফও খারাপ করেননি, তাকে দলে নেওয়া মানে ব্যাটিং অর্ডারে অতিরিক্ত অস্ত্র যোগ করা।

এরা জাতীয় দলে আছেন, এই মুহুর্তে জাতীয় দলের বাইরে আছেন খালেদ, রিপন, ইবাদতরা।

গ্লোবাল সুপার লীগে অসাধারণ পারফর্মেঞ্চ করেন খালেদ, হন দ্বিতীয় সেরা উইকেটদাতা।

বিশেষ করে বড় বড় ফ্রাঞ্চাইজীদের বিপক্ষে ডেথ ওভারে খালেদের বুদ্ধিদীপ্ত বোলিং ছিল প্রশংসা করার মত।

ইঞ্জুরি থেকে ফিরে উঠেছেন ইবাদত হোসেন।।নিজ দিনে তিনি কি হতে পারেন সেটা জানা সবারই।

এর সাথে আছেন রিপন মন্ডলের মত তরুণ বোলার। যারা অষ্ট্রলিয়ায় টি২০ টুর্নামেন্টে সেরা হয়ে আসে।

এই মুহুর্তে এই বোলারদের জাতীয় দলের বাইরে থাকা প্রমাণ করে পেস ইউনিটে কতটা সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।

আধুনিক হোক বা পুরাতন, পেস বোলাররা কদর পান সর্বদা। বাংলাদেশের পেসারদের কদরও আছে সারাবিশ্বে।

আগামীদিনে পেস বোলিং এরকম সুস্থ প্রতিযোগিতা বজায় থাকুক, এটাই চাওয়া সবার।

- Advertisement -spot_img
- Advertisement -spot_img
Stay Connected
16,985FansLike
2,458FollowersFollow
61,453SubscribersSubscribe
Must Read
- Advertisement -spot_img
Related News
- Advertisement -spot_img

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here