একদিন তামিম রান করছেন, আরেকদিন রান করছেন ইমন। দুই প্রান্তে দুইজনই করছেন আগ্রাসী ব্যাটিং।
ধারাবাহিকভাবে প্রায় প্রতি ইনিংসেই টোন সেট করে দিচ্ছেন এই দুইজন। টি২০ ক্রিকেটের ওপেনিংএ
তাই স্বপ্নের সময় পার করছে বাংলাদেশ। কিন্ত সেখানেও সন্তষ্ট হওয়ার সুযোগ নাই বাংলাদেশ দলের।
কেননা ওপেনিংএ দুইজন পারফর্মার থাকলেও তাদের বিকল্প হিসেবে কেউ নেই।
সর্বশেষ কয়েক ম্যাচে সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি নাইম শেখ। এশিয়া কাপের মঞ্চে এই জায়গা নিয়ে সন্দিহান তাই বাংলাদেশ দল।
সেখানে তাই প্রশ্ন কে হবেন ব্যাকাপ ওপেনার? সর্বশেষ সিরিজে পারফর্ম করতে পারেননি নাইম।
কিন্ত তার সাথে এই জায়গায় দলে আসার মত নেই খুব বেশি নাম। যদিও এই জায়গায় অপশন হতে পারেন সৌম্য সরকার।
সর্বশেষ ম্যাচে অবশ্য ৬২ স্ট্রাইক রেটে ১১ রান করেন সৌম্য, তবে তার আগের ৪ ম্যাচের ২ ম্যাচে ভালো দুই ইনিংস খেলেছেন সৌম্য সরকার, ব্যাট করেছেন উচু স্ট্রাইক রেটে। সুযোগ পেয়ে ধারাবাহিক না হলেও মাঝে মাঝে কার্যকর হতে পারেন সৌম্য।
যদি শেষ পর্যন্ত লড়াইটা নাইম ও সৌম্যের হয়, তবে সৌম্যের এশিয়া কাপের টিকিট পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি৷ তবে এই জায়গায় অন্য কাউকে চিন্তা করে যদি বিসিবি, সেটার দায়িত্ব তাদের কাছেই থাকবে।
অপরদিকে ব্যাকাপ ওপেনারের সাথে আরো এক বিষয়ে আছে চিন্তার জায়গা। আর সেটা মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান।
সর্বশেষ সিরিজে মেহেদী হাসান মিরাজ সুযোগ পেয়েছেন। এর আগে লঙ্কান সিরিজেও ছিলেন এই ব্যাটসম্যান। বল হাতেও টি২০ ক্রিকেটে তেমন রোল নেই মিরাজের। ব্যাট হাতে দায়িত্ব ছিল তার। কিন্ত সেখানে কিছুই করতে পারছেন না তিনি। বড় স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করতে পারছেন না, না করতে পারছেন ইনিংস বড়।
এই জায়গায় আলোচনায় দুই নাম। অনেকদিন ধরে নেতৃত্ব দিয়ে পারফর্ম করছেন নুরুল হাসান সোহান।
মিডল অর্ডারে ইনিংস বিল্ডাপে সোহান হতে পারেন দারুণ পছন্দ। এর বাইরে আরো এক ঘোরাঘুরি করছে দর্শকমহলে।
তিনি সাব্বির রহমান রুম্মান। এই হার্ডহিটার ব্যাটসম্যানকেও ভাবা হচ্ছে মিডল অর্ডারে তাওহীদ হৃদয়ের বিকল্প, যিনি তার নিজের দিনে বদলে দিতে পারেন দলের চিত্র।
তবে যদি এই দুইয়ের মাঝে কেউ যায় দলে, তবে সেক্ষেত্রে এগিয়ে থাকবেন নুরুল হাসান সোহান।
সব মিলিয়ে এই মুহুর্তে কারা আসবেন বাংলাদেশ দলে, সেটা নির্ভর করবে নির্বাচকের উপরই। আর সেখানেই এই চারের মাঝে কারা সুযোগ পাবেন, সেটা তারাই বেশ ভালো জানেন।




