কার্লোস তেনারিও, ইকুয়েডরের হয়ে খেলেছেন ৫২ ম্যাচ, করেছেন ১২ গোল।
খেলোয়াড়ি জীবনে খেলেছেন আল নাসের, ভাস্কো দ্যা গামার মত ক্লাবে।
সেই তেনারিও এর কাছে একজন খেলোয়াড়কে মনে হয়েছে, তিনি ছাড়িয়ে যাবেন মেসি ও নেইমারের মত খেলোয়াড়কে।
কে সেই খেলোয়াড়?
১৮ বছর বয়সী সেই খেলোয়াড়ের নাম কেন্ড্রি পায়েজ। যাকে নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে এক সাক্ষাৎকারে কথা বলেন তেনারিও৷
লে ইকুইপকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন “ তার মাঝে সবকিছু আছে যা দ্বারা সে মেসিকে ছাড়িয়ে যেতে পারে, নেইমারকে ছাড়িয়ে যেতে পারে। তবে এটা তার উপর ও আশেপাশের উপর নির্ভর করে৷ প্রথমবারের মত আমি একজন খেলোয়াড়ের এত গুণাবালী দেখছি।
আমি আশা করি সে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হবেন”
কেন কেন্ড্রি পায়েজকে নিয়ে এত মাতামাতি। মাত্র ১৫ বছর বয়সে সিনিয়ার পর্যায়ে অভিষেক হয় তার।
সবচেয়ে কম বয়সে ইকুয়েডরের লীগে গোলের রেকর্ড করেন। ১৬ বছর বয়সে ইকুয়েডর জাতীয় দলে যোগ দেন তিনি।
জাতীয় দলের হয়ে এর মাঝে খেলেছেন ১৮ ম্যাচ, করেছেন ৪ গোল এসিস্ট।
বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে সবচেয়ে কম বয়সে গোল করার রেকর্ড তার কাছে। এমনকি অনুর্দ্ধ ২০ বিশ্বকাপেও সবচেয়ে কম বয়সে গোলের রেকর্ড করেছেন।
১৬ বছর বয়সেই তাকে ২০ মিলিয়নে কিনে নেয় চেলসি। বর্তমানে লোনে আছেন ফ্রেঞ্চ ক্লাব স্টার্সবার্গে, যেখানে খেলবেন এই মৌসুম।
এর আগে তাকে দলে পেতে নজর রেখেছিল রিয়াল মাদ্রিদ, বার্সেলোনা, ম্যানচেস্টার সিটি, ডর্টমুন্ডের মত ক্লাব।
১৮ বছর হওয়ার আগেই ক্লাবের হয়ে খেলেছেন ৭০ ম্যাচ।
স্কিলেও বেশ দুর্দান্ত পায়েজ। বা পায়ের এই খেলোয়াড়ের আছে ভার্সিটালিটি। ক্রিয়েটিভ পাস দিতে পারেন, দারুণ ড্রিবলিং করতে পারেন।
তার টেকনিক্যাল এবিলিটি, পজিশনিং ও গতির জন্য চেলসি ভক্তদের কাছে এর মধ্যেই বেশ প্রশংসিত হয়েছেন।
অল্প বয়সেই তাই জনপ্রিয় হয়েছে কেন্ড্রি পায়েজ। অনেকেই তাকে বলছেন জেনারেশনাল ট্যালেন্ট।
১৮ বছর বয়সী এস্তেভিও, লামিন ইয়ামালদের নিয়ে যতটা আলাপ হয়, সেখানে অতটা হাইপ পাননা কেন্ড্রি পাজ।
অথচ অনেকটা তাদের কাতারেই আছেন এই তরুণ।
আগামী দিনে হয়ত মেসি নেইমার হতে পারবেন না পায়েজ, তবে ইকুয়েডরের ফুটবলের বড় নাম হতে পারেন তিনি।
একই সাথে নিজেকে মেলে ধরতে পারলে বিশ্ব শাসনও করতে পারবেন অনেকদিন ধরে৷




