ব্রাজিলিয়ান লীগ সিরিআ তে সর্বশেষ ম্যাচে মুখোমুখি হয় সান্তোস ও ভাস্কো দ্যা গামা। দুই দলের অধিনায়কত্বে তাদের নাম্বার টেন।
দুই পরিচিত মুখ বিশ্ব ফুটবলে। একদিকে নেইমার জুনিয়ার, আরেকদিকে ফিলিপে কৌতিনহো।
মাঠে নামার আগে দুইজন ধরলেন দুইজনকে জড়িয়ে। এইটুক দৃশ্যই ভক্তদের আনন্দিত করবে।
কিন্ত আরো এক কারণে যে এই দৃশ্য বিশেষ।
এমন দৃশ্যের অবতারণা হলো দীর্ঘ ১৫ বছর পর। ২০১০ সাল, তখন বিশ্ব ফুটবলে আলোড়ন তৈরি করা এক কিশোর এসেছেন।
খেলছেন ব্রাজিলের ক্লাব সান্তোসের হয়ে। সেই বছর সান্তোসের হয়ে সব ধরণের আসরে ৪২ গোল করেন নেইমার।
এরপর একই ক্লাবের হয়ে কাঠান আরো ৩ বছর৷ ২০১৪ সালে তাকে দলে ভেড়ায় স্পেনের ক্লাব বার্সেলোনা। মেসি, সুয়ারেজদের সাথে কয়েক বছর থাকার পর রেকর্ড ট্রান্সফার গড়ে যান পিএসজিতে। যে ক্লাবটিতে কাটান ৬ মৌসুম।
এরপর কাগজে কলমে আল হিলালে দুই মৌসুম কাটিয়ে আসেন ব্রাজিলে। ফিরেন ছোটবেলার ক্লাব সান্তোসে।
সেখানেই বর্তমানে আছেন নেইমার।
অপরদিকে ২০১০ সালে ১৭ বছরের কৌতিনহো খেলেন ভাস্কো দ্যা গামায়। এরপর তার খেলায় মুগ্ধ হয়ে তাকে কিনে নেয় ইন্টার মিলান।
সেখানে কাটান ৩ মৌসুম, এক মৌসুম লোনে খেলেন এস্পানিওলে৷ তবে খুব বেশি সুযোগ না মেলায় চলে আসেন লিভারপুলে।
সেখান থেকেই করেন ইতিহাসের শুরু।
এরপর পুলের হয়ে ৬ মৌসুম খেলেন, যতদিনে তাকে না কিনে নেয় বার্সেলোনা।
বার্সেলোনা থেকে লোনে খেলেন বায়ার্ন মিউনিখে। এরপর এস্টন ভিলা, আল দুহাইল হয়ে আবারো গত মৌসুমে ফিরেন শৈশবের ক্লাব ভাস্কো দ্যা গামায়।
২০১০ সালে প্রথম মুখোমুখি লড়াইয়ে নামেন নেইমার ও কৌতিনহো। সেদিন ভাস্কো দ্যা গামার জার্সি গায়ে কৌতিনহো, আর সান্তোসের হয়ে মাঠে নামেন নেইমার।
১৫ বছর পর আবারো একই জার্সিতে একই দিনে মাঠে নামলেন দুইজন।
মাঝে হয়ে গেছে অনেক ইতিহাস, অনেক উত্থান পতন। দিনশেষে আবারো একই জায়গায় তারা।
এটাই যেন বিশেষ ব্রাজিল ভক্তদের জন্য।




