আগামী মাসে দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত হবে এশিয়া কাপের পরবর্তী আসর।
৮ দলের এই আসরের জন্য এরই মাঝে দল ঘোষণা করে ফেলেছে পাকিস্তান দল। আর সেখানে সমর্থকদের চিন্তা বাংলাদেশ দলকে ঘিরে।
সাবেক দুইবারের ফাইনালিস্টরা কেমন দল নিয়ে মাঠে নামে, কারা থাকবেন দলে। সে আলোচনাই আছে বারবার।
ওপেনিং পজিশনে তানজিদ তামিম ও পারভেজ ইমন থাকবেন দলের সঙ্গে৷ তাদের সাথে ব্যাকাপ ওপেনার হিসেবে অপশনে আছে কয়েক মুখ।
তবে নাইম, শান্ত, সৌম্যদের নাম থাকলেও এই জায়গায় এগিয়ে থাকবেন জিসান আলম।
টপ এন্ড টি২০ সিরিজে জিসানের পারফর্মেঞ্চ তাকে রাখছে এগিয়ে
মিডল অর্ডারে লিটন দাস, তাওহিদ হৃদয় থাকবেন। লোয়ার মিডল অর্ডারে আছেন শামীম পাটোয়ারী, জাকের আলীরা।
তবে মিডল অর্ডারে আরেক বিকল্প কে হবেন? সর্বশেষ সিরিজে দলে ছিলেন মেহেদী মিরাজ।
তবে এশিয়া কাপের দলে তার না থাকার সম্ভাবনাই অধিক৷ সেক্ষেত্রে এশিয়া কাপে থাকার লড়াইয়ে আছে আফিফ হোসেন ধ্রুব ও সাইফ হাসানের নাম। শেষ পর্যন্ত কে সুযোগ পান এই জায়গায় সেটাই দেখায় বিষয়।
স্পিন ডিপার্টমেন্টে রিশাদ হোসেন যাবেন লেগ স্পিনিং অলরাউন্ডার হিসেবে।
শেখ মাহেদী হাসান অফস্পিনিং ও দলের ভাইস ক্যাপ্টেন হিসেবে যাবেন এশিয়া কাপে।
এদের সাথে স্পিনিং ডিপার্টমেন্টে সুযোগ পাবেন এক মুখ।
সেখানে বাহাতি স্পিনার হিসেবে লড়াইটা হবে নাসুম আহমেদ ও তানভীর ইসলামের মাঝে।
যদিও এখানে এগিয়ে আছেন অভিজ্ঞ নাসুম আহমেদ
পেস বোলিং ডিপার্টমেন্টের নেতৃত্ব দিবেন মুস্তাফিজুর রহমান। তার সাথে অভিজ্ঞ তাসকিন আহমেদ থাকবেন দলে।
মাঠের বাইরে বিতর্ক থাকলেও মাঠে তাসকিনই দলের ভরসার নাম।
পেস বোলিং অলরাউন্ডার হিসেবে ও নতুন বলে সুইং এর জন্য তানজিম সাকিবকে স্কোয়াডে নিবে বিসিবি।
তবে বাকি ২ নামের জন্য লড়াই হবে কয়েকজনের। সর্বশেষ সিরিযে দলে ছিলেন শরীফুল ইসলাম ও মোহম্মদ সাইফুদ্দিন।
দুইজনই পারফর্ম করেছেন দারুণ। তবে এই দুইজনের সাথে দলে জায়গা পাওয়ার লড়াই করবেন গতিশীল পেসার নাহিদ রানা, সুইং বোলিংও পারদর্শী হাসান মাহমুদ ও ফর্মে থাকা খালেদ আহমেদ।
এই মুহুর্তে এই জায়গায় কঠিন ৫ জনকে বাছাই করা । তবে গ্রিন কার্ড পাওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে শরীফুল ও সাইফ।
সব মিলিয়ে এদের মাঝেই হতে পারে এশিয়া কাপের সম্ভাব্য সেরা স্কোয়াড। এবার দেখা যাক, দিনশেষে কোন ১৫ জনকে বাছাই করে বিসিবি।




