ব্রাজিল দলের মাঝমাঠ বর্তমানে ভঙ্গুর। অথচ এই মাঝমাঠেই বিচরণ ছিল ফিলিপে কৌতিনহো, যাকে ভক্তরা জাদুর কৌটা বলে।
যাকে বার্সেলোনা ক্রয় করে ১৪০ মিলিয়ন ইউরো দিয়ে। যাকে রাখতে স্টাচু করার কথাও ঘোষণা দেয় লিভারপুল।
সেই কৌতিনহোর কথাই বলা হচ্ছে।
আপাত দৃষ্টিতে কৌতিনহো হারিয়ে গেছে। বার্সেলোনা আসার পরই আগের জাদুতে দেখা যায়নি তাকে।
এরপর এস্টন ভিলা, আল দুহাইল সহ বিভিন্ন ক্লাবের দ্বারে দ্বারে ঘুরে শেষ পর্যন্ত এসেছেন ভাস্কো দ্যা গামায়।
আর সেখানে এসেই যেন নিজেকে ফিরে পেলেন এই মিডফিল্ডার।
এই মৌসুমে ৩২ ম্যাচে ১১ গোল এসিস্ট হয়ে গেছে কৌতিনহোর। যার মাঝে করেছেন ৮ গোল।
২০১৯-২০ সালে এক মৌসুমে এর চেয়ে বেশি গোল করেন কৌতিনহো।
অর্থ্যাৎ ছন্দ কিছুটা হলেও পেতে শুরু করেছেন এই মিডফিল্ডার।
সর্বশেষ ম্যাচেও নেইমারের সান্তোসের বিপক্ষে জোড়া গোল করেন কৌতিনহো। দুই গোলেই ফিনিশিংএ এ ছিল জাদুর ছোয়া।
এর মাঝে এক গোলে বল রিসিভিং ও গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন দারুণ ভাবে।
এছাড়া সর্বশেষ ম্যাচে ২ বার চাঞ্চ ক্রিয়েট, ৩ বার সফল ড্রিবলিং, ২ টি শট, ২ টা লং বল ও ৩ বার কর্নার করেন।
এর বাইরে ৬৩ পাস প্রমাণ করে মাঠে তার নিয়ন্ত্রণ।
এর আগের ম্যাচে ড্র করে তার দল ভাস্কো দ্যা গামা। সে ম্যাচেও দলের একমাত্র পেনাল্টি আদায় করেন কৌতিনহো।
এর বাইরে করেন ৩ বার চাঞ্চ ক্রিয়েট, দুইবার ড্রিবলিং, ৩ বার জয় করেন ডুয়েলস, ২ বার দেন একুরেট লং বল।
তার আগের ম্যাচে আবার গোল পান দলের হয়ে। অর্থ্যাৎ প্রায় প্রতি ম্যাচেই দলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছেন কৌতিনহো।
মাঝমাঠে ব্রাজিলের সমস্যা নতুন নয়৷ বিশেষ করে একজন ক্রিয়েটিভ খেলোয়াড় ও বল কন্ট্রোলারের। বয়স হলেও এই কাজে যেন কৌতিনহোর মানের কাউকেই খুজে পাচ্ছেনা ব্রাজিল দল। আর সেখানে একটা সুযোগ অন্তত পেতেই পারেন এই অভিজ্ঞ মিড।
যদি সুযোগের নুন্যতম ব্যাবহারও করতে পারেন, তবে দুর্বল মিডই হতে পারে সেলেসাওদের শক্তির জায়গা।




